দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৩:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
১১৫
বার পঠিত
বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান লর্ড কারলাইলের
আনসার আহমেদ উল্লাহঃ যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের সদস্য লর্ড কারলাইল অব বেরিউ সিবিই কেসি বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও আন্তর্জাতিকভাবে পর্যবেক্ষিত নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে আইনের শাসন আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। লর্ড কারলাইল বলেন, ২০২৪ সাল থেকে শুরু হওয়া রাজনৈতিক অস্থিরতা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য “গুরুতর চ্যালেঞ্জ” তৈরি করেছে। তিনি মন্তব্য করেন, “আগামী নির্বাচন যেন অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি না হয়। এটি অংশগ্রহণমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুষ্ঠু হওয়া জরুরি এবং আন্তর্জাতিক স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।” সন্ত্রাসবাদবিরোধী আইন পর্যালোচনার সাবেক স্বাধীন উপদেষ্টা এই ব্রিটিশ আইনজীবী আরও বলেন, বাংলাদেশের সকল শ্রেণি ও সম্প্রদায়ের মানুষকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পুনরুজ্জীবনে অংশ নিতে হবে এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করতে হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) প্রসঙ্গে তিনি জানান, বর্তমান ব্যবস্থা “তাৎক্ষণিক সংস্কারের প্রয়োজন” যাতে এটি আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছায়। তার মতে, বিচার প্রক্রিয়া হতে হবে “স্বচ্ছ, ন্যায্য এবং সংবিধান ও আইনের প্রতি কঠোরভাবে অনুগত।” সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে লর্ড কারলাইল বলেন, তাদের রাষ্ট্র এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ উভয়ের কাছ থেকেই সুরক্ষা নিশ্চিত করা উচিত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আইনের শাসন অবশ্যই প্রতিষ্ঠিত থাকতে হবে। বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নির্ভর করে ন্যায়বিচার, সমতা এবং জনগণের সুরক্ষার ওপর।”
আনসার আহমেদ উল্লাহঃ
যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের সদস্য লর্ড কারলাইল অব বেরিউ সিবিই কেসি বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও আন্তর্জাতিকভাবে পর্যবেক্ষিত নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে আইনের শাসন আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।
লর্ড কারলাইল বলেন, ২০২৪ সাল থেকে শুরু হওয়া রাজনৈতিক অস্থিরতা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য “গুরুতর চ্যালেঞ্জ” তৈরি করেছে। তিনি মন্তব্য করেন, “আগামী নির্বাচন যেন অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি না হয়। এটি অংশগ্রহণমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুষ্ঠু হওয়া জরুরি এবং আন্তর্জাতিক স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।”
সন্ত্রাসবাদবিরোধী আইন পর্যালোচনার সাবেক স্বাধীন উপদেষ্টা এই ব্রিটিশ আইনজীবী আরও বলেন, বাংলাদেশের সকল শ্রেণি ও সম্প্রদায়ের মানুষকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পুনরুজ্জীবনে অংশ নিতে হবে এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করতে হবে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) প্রসঙ্গে তিনি জানান, বর্তমান ব্যবস্থা “তাৎক্ষণিক সংস্কারের প্রয়োজন” যাতে এটি আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছায়। তার মতে, বিচার প্রক্রিয়া হতে হবে “স্বচ্ছ, ন্যায্য এবং সংবিধান ও আইনের প্রতি কঠোরভাবে অনুগত।”
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে লর্ড কারলাইল বলেন, তাদের রাষ্ট্র এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ উভয়ের কাছ থেকেই সুরক্ষা নিশ্চিত করা উচিত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আইনের শাসন অবশ্যই প্রতিষ্ঠিত থাকতে হবে। বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নির্ভর করে ন্যায়বিচার, সমতা এবং জনগণের সুরক্ষার ওপর।”