দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৯:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
৭
বার পঠিত
ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ পেলেন ইউপি সদস্য
আরিফুল ইসলাম জয়: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রেহানা বেগমকে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত বেতনে কর্মরত ব্যক্তিদের ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কাজে নিয়োগের ক্ষেত্রে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। এমন বিধান থাকলে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কীভাবে একই দায়িত্বে তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী। জানা যায়, পাইকেরছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রেহানা বেগম ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হওয়ায় এ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ রয়েছে কি না, কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কীভাবে তাকে নিয়োগ দিয়েছে—তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে। এলাকাবাসীর দাবি, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা ও যোগ্যতার শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, বিষয়টি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া প্রশ্নের জবাব দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত নিয়োগ প্রক্রিয়া, যোগ্যতার শর্ত এবং জনপ্রতিনিধির তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালনের বৈধতা পরিষ্কার করা। প্রয়োজনে বিষয়টি তদন্ত করে নিয়মবহির্ভূত কিছু পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন...
আরিফুল ইসলাম জয়:
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রেহানা বেগমকে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত বেতনে কর্মরত ব্যক্তিদের ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কাজে নিয়োগের ক্ষেত্রে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। এমন বিধান থাকলে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কীভাবে একই দায়িত্বে তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।
জানা যায়, পাইকেরছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রেহানা বেগম ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হওয়ায় এ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ রয়েছে কি না, কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কীভাবে তাকে নিয়োগ দিয়েছে—তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে।
এলাকাবাসীর দাবি, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা ও যোগ্যতার শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, বিষয়টি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া প্রশ্নের জবাব দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত নিয়োগ প্রক্রিয়া, যোগ্যতার শর্ত এবং জনপ্রতিনিধির তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালনের বৈধতা পরিষ্কার করা। প্রয়োজনে বিষয়টি তদন্ত করে নিয়মবহির্ভূত কিছু পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।