ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

ফরিদপুরে ভেজাল অজ্ঞান করা ওষুধ নিয়ে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরে ভেজাল অজ্ঞান করা ওষুধ নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার বিকেল তিনটার দিকে ফরিদপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুরের সিভিল সার্জন মো. ছিদ্দীকুর রহমান। এ‌ সময়   স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমিতির সভাপতি সম্পাদকসহ  ৩১টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিক ও প্রতিনিধিগণ  অংশ নেন।
সিভিল সার্জন মো. ছিদ্দীকুর রহমান বলেন, সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভেজাল অজ্ঞান করা ওষুধ ব্যবহার করায় শিশু মৃত্যুর একাধিক ঘটনা ঘটেছে। পরীক্ষায় প্রমাণ হয়েছে অজ্ঞান করার জন্য ‘হ্যালোথেন’ নামে যে ওষুধটি ব্যবহার করা হয় অনেক নকল কোম্পানী এ ওষুধ ভেজাল করে বাজারে ছেড়েছেন। এজন্য এ শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।
মতবিনিময় সভায় সিভিল সার্জন ফরিদপুরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক মালিকদের ‘হ্যালোথেন’ নামের ওই ওষুধটি অজ্ঞান করার কাজে ব্যবহার না করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, যে সব প্রতিষ্ঠানের কাছে এ ওষুধ রয়ে গেছে সেগুলি ধ্বংস করে ফেলতে হবে।
পাশাপাশি সিভিল সার্জেন মো. ছিদ্দীকুর রহমান হ্যালেথেন ওষুধের পরিবর্তে অজ্ঞান করার জন্য ওই ওষুধের পরিবর্তে আইসো ফ্লুরেন, সেবোফউরেন নামের ওষুধগুলি ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।
এ মত বিনিময় সভায় ফরিদপুরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিকের মালিক, ব্যাবস্থাপক ও প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,  ফরিদপুর পপুলার ডায়গনস্টিক সেন্টারের এম এ জলিল, ফরিদপুর সেন্ট্রাল হাসপাতালের মো. এনামুল হক, ফরিদপুর গ্রীণ হাসপাতালের মো. অহিদুজ্জামান, পরিচর্যা হাসপাতালের বিষ্ণু পদ বসু, ফরিদপুর দেশ ক্লিনিকের খন্দকার মিজানুর রহমান, সততা প্রাইভেট হাসপাতালের মো. রোমান মুন্সী আরামবাগ হাসপাতালের রাসেল আহমেদ, অরোগ্য সদন প্রাইভেট হাসপাতালের মো. মিজানুর রহমান, শাপলা প্রাইভেট হাসপাতালের মো. মশিউর রহমান, হ্যাপি হাসপাতালের ফজলুর হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ফরিদপুরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমিতির সভাপতি এম এ জলিল বলেন, কোন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চায় না রোগীর মৃত্যু হোক। মৃত্যু যদি ভেজাল ওষুধের কারনে হয় তবে তা আমাদের জন্য হবে একটি বেদনাদায়ক ঘটনা এবং জতির জন্য হবে লজ্জাজনক।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন মো. সিদ্দীকুর রহমান বলেন, ভেজাল হোক বা না হোক যেসব হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ‘হ্যালোথেন’ ওষুধ রয়েছে তা ধ্বংস করতে হবে। তিনি বলেন, এ মতবিনিময় সভার পর বেসরকারি হাসপাতাল ও মালিকগণ এ সিদ্ধান্ত পালন করলেন কিনা তা যাচাই করার জন্য অভিযান পরিচালনা করা হবে।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না নেতানিয়াহু বা বিরোধী জোট, রেকর্ড সংখ্যক আসন পাচ্ছে আরব দলগুলো

error: Content is protected !!

ফরিদপুরে ভেজাল অজ্ঞান করা ওষুধ নিয়ে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট টাইম : ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মার্চ ২০২৪
মানিক কুমার দাস, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি :
ফরিদপুরে ভেজাল অজ্ঞান করা ওষুধ নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার বিকেল তিনটার দিকে ফরিদপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুরের সিভিল সার্জন মো. ছিদ্দীকুর রহমান। এ‌ সময়   স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমিতির সভাপতি সম্পাদকসহ  ৩১টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিক ও প্রতিনিধিগণ  অংশ নেন।
সিভিল সার্জন মো. ছিদ্দীকুর রহমান বলেন, সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভেজাল অজ্ঞান করা ওষুধ ব্যবহার করায় শিশু মৃত্যুর একাধিক ঘটনা ঘটেছে। পরীক্ষায় প্রমাণ হয়েছে অজ্ঞান করার জন্য ‘হ্যালোথেন’ নামে যে ওষুধটি ব্যবহার করা হয় অনেক নকল কোম্পানী এ ওষুধ ভেজাল করে বাজারে ছেড়েছেন। এজন্য এ শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।
মতবিনিময় সভায় সিভিল সার্জন ফরিদপুরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক মালিকদের ‘হ্যালোথেন’ নামের ওই ওষুধটি অজ্ঞান করার কাজে ব্যবহার না করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, যে সব প্রতিষ্ঠানের কাছে এ ওষুধ রয়ে গেছে সেগুলি ধ্বংস করে ফেলতে হবে।
পাশাপাশি সিভিল সার্জেন মো. ছিদ্দীকুর রহমান হ্যালেথেন ওষুধের পরিবর্তে অজ্ঞান করার জন্য ওই ওষুধের পরিবর্তে আইসো ফ্লুরেন, সেবোফউরেন নামের ওষুধগুলি ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।
এ মত বিনিময় সভায় ফরিদপুরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিকের মালিক, ব্যাবস্থাপক ও প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,  ফরিদপুর পপুলার ডায়গনস্টিক সেন্টারের এম এ জলিল, ফরিদপুর সেন্ট্রাল হাসপাতালের মো. এনামুল হক, ফরিদপুর গ্রীণ হাসপাতালের মো. অহিদুজ্জামান, পরিচর্যা হাসপাতালের বিষ্ণু পদ বসু, ফরিদপুর দেশ ক্লিনিকের খন্দকার মিজানুর রহমান, সততা প্রাইভেট হাসপাতালের মো. রোমান মুন্সী আরামবাগ হাসপাতালের রাসেল আহমেদ, অরোগ্য সদন প্রাইভেট হাসপাতালের মো. মিজানুর রহমান, শাপলা প্রাইভেট হাসপাতালের মো. মশিউর রহমান, হ্যাপি হাসপাতালের ফজলুর হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ফরিদপুরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমিতির সভাপতি এম এ জলিল বলেন, কোন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চায় না রোগীর মৃত্যু হোক। মৃত্যু যদি ভেজাল ওষুধের কারনে হয় তবে তা আমাদের জন্য হবে একটি বেদনাদায়ক ঘটনা এবং জতির জন্য হবে লজ্জাজনক।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন মো. সিদ্দীকুর রহমান বলেন, ভেজাল হোক বা না হোক যেসব হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ‘হ্যালোথেন’ ওষুধ রয়েছে তা ধ্বংস করতে হবে। তিনি বলেন, এ মতবিনিময় সভার পর বেসরকারি হাসপাতাল ও মালিকগণ এ সিদ্ধান্ত পালন করলেন কিনা তা যাচাই করার জন্য অভিযান পরিচালনা করা হবে।