আপডেট টাইম :
০৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২২
৪০৫
বার পঠিত
ফরিদপুরে তিল চাষে বিশেষ অবদান রাখছেন সুকুমার ভান্ডার
তিল একটি তৈল জাতীয় ফসল। বর্তমান সময়ে ও বৈশ্বিক সংকটের কারনে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম। তেল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে সংকটময় মুহুর্তে খাবার তেলের চাহিদা মেটানো সময়ের দাবি। ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষনা দিয়েছেন এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদী না থাকে। বৈশ্বিক এ এ সংকট মোকাবেলায় সহজলভ্য অধিক মুনাফা অর্জন ও নিজেদের খাবার তেলের চাহিদা মেটাতে তিল চাষে কৃষকদের উদ্ভোদ করতে কাজ করে যাচ্ছেন বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুকুমার ভান্ডার, যা ফরিদপুর পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের শোভারামপুরে অবস্থিত। জানা যায়, বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে কৃষকদের উন্নতমানের বীজ ও প্রশিক্ষনের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠান কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের সমন্বয়ে তিল চাষ সক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। মেসার্স সুকুমার ভান্ডারের পরিচালক এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, বিঘা প্রতি ২৫ শত টাকা খরচে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার ফসল বিক্রি করা সম্ভব। আরও পড়ুনঃ মাগুরার জগদল বাজারের মুদি ব্যবসায়ীর দোকান দখলের চেষ্টা সোহাগ গ্যাংয়ের সাধারনত ফাল্গুন মাসের শেস সপ্তহে তিল বীজ বপন করতে হয়। তিল সাধারনত তিন প্রকারের হয়ে থাকে, যা সাদা তিল, কালো তিল ও লাল তিল। বিশ্ব ব্যাপি সাদা তিলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তিল থেকে তেল উৎপাদন ও সুস্বাধূ খাবার তৈরি এবং ঔষদেও কাচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এদিকে তার এই কার্যক্রমটি সুধী সমাজসহ সর্বস্তরের জনগণের কাছে...
তিল একটি তৈল জাতীয় ফসল। বর্তমান সময়ে ও বৈশ্বিক সংকটের কারনে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম। তেল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে সংকটময় মুহুর্তে খাবার তেলের চাহিদা মেটানো সময়ের দাবি।
ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষনা দিয়েছেন এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদী না থাকে। বৈশ্বিক এ এ সংকট মোকাবেলায় সহজলভ্য অধিক মুনাফা অর্জন ও নিজেদের খাবার তেলের চাহিদা মেটাতে তিল চাষে কৃষকদের উদ্ভোদ করতে কাজ করে যাচ্ছেন বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুকুমার ভান্ডার,
যা ফরিদপুর পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের শোভারামপুরে অবস্থিত। জানা যায়, বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে কৃষকদের উন্নতমানের বীজ ও প্রশিক্ষনের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠান কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের সমন্বয়ে তিল চাষ সক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। মেসার্স সুকুমার ভান্ডারের পরিচালক এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, বিঘা প্রতি ২৫ শত টাকা খরচে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার ফসল বিক্রি করা সম্ভব।
সাধারনত ফাল্গুন মাসের শেস সপ্তহে তিল বীজ বপন করতে হয়। তিল সাধারনত তিন প্রকারের হয়ে থাকে, যা সাদা তিল, কালো তিল ও লাল তিল। বিশ্ব ব্যাপি সাদা তিলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তিল থেকে তেল উৎপাদন ও সুস্বাধূ খাবার তৈরি এবং ঔষদেও কাচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এদিকে তার এই কার্যক্রমটি সুধী সমাজসহ সর্বস্তরের জনগণের কাছে দারুন ভাবে সমাদৃত হয়েছে।