ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

প্রতিবন্ধকতাকে হার মানানো শিশু মোস্তাকিম, পাশে মানবিক ব্যক্তি সৈয়দ হারুন এমজেএফ

মোহাম্মদ আবু নাছেরঃ

“এক হাত নাই তো তাতে কি হয়েছে?”-এই একটি বাক্যই যেন নতুন করে সাহস আর আত্মবিশ্বাসের গল্প শোনাচ্ছে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছোট্ট শিশু মোঃ মোস্তাকিম।

 

প্লে গ্রুপের এই শিক্ষার্থী জন্মগত শারীরিক সীমাবদ্ধতা নিয়েও অসাধারণ মেধা, আত্মবিশ্বাস ও চেষ্টার মাধ্যমে সবার হৃদয় জয় করে নিয়েছে। এক হাত না থাকলেও তার চোখে-মুখে হতাশার ছাপ নেই; বরং আছে স্বপ্ন জয়ের দৃঢ় প্রত্যয়। তার প্রতিটি কাজ, লেখাপড়া ও অংশগ্রহণ দেখে বিস্মিত হচ্ছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়রা।

 

ছোট্ট মোস্তাকিমের এই এগিয়ে চলার পেছনে সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য নন-প্রফিট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান Sayed Ruhul Amin Smrity Academy (সৈয়দ রুহুল আমিন স্মৃতি একাডেমী)। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় উন্নত ও মানবিক শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলছে।

 

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে Sayed Harun Foundation-এর অর্থায়নে। আর এর পেছনে যাঁর মানবিক অবদান, আন্তরিক প্রচেষ্টা ও নিরলস সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত, তিনি হলেন সেনবাগের আপামর জনতার প্রিয় মানবিক ব্যক্তিত্ব Lion Sayed Harun MJF। শিক্ষা বিস্তার, সমাজসেবা ও মানবিক কার্যক্রমে তাঁর ভূমিকা ইতোমধ্যেই এলাকায় ব্যাপকভাবে সমাদৃত।

 

একাডেমির শিক্ষকরা জানান, মোস্তাকিম অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও মনোযোগী একজন শিক্ষার্থী। শারীরিক সীমাবদ্ধতাকে সে কখনো দুর্বলতা হিসেবে নেয়নি। বরং প্রতিদিন নতুন উদ্যমে ক্লাসে অংশ নেয় এবং নিজের কাজ নিজেই করার চেষ্টা করে।

 

স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, সমাজে যেখানে অনেক শিশু সামান্য প্রতিবন্ধকতায় পিছিয়ে পড়ে, সেখানে মোস্তাকিম হয়ে উঠেছে সাহস, আত্মবিশ্বাস ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির জীবন্ত উদাহরণ। তার এই গল্প অন্য শিশুদের মাঝেও নতুন প্রেরণা জোগাবে।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ইতোমধ্যে ছোট্ট মোস্তাকিমকে নিয়ে ব্যাপক প্রশংসা শুরু হয়েছে। অনেকে বলছেন, “এমন শিশুদের পাশে দাঁড়ানোই মানবতার সবচেয়ে বড় পরিচয়।”

 

সেনবাগবাসীর প্রত্যাশা, সঠিক পরিচর্যা ও উৎসাহ পেলে একদিন মোঃ মোস্তাকিম শুধু পরিবার বা প্রতিষ্ঠান নয়, পুরো নোয়াখালীর গর্ব হয়ে উঠবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঘা চারঘাটে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে দেয়া হবে না -এমপি চাঁদ

error: Content is protected !!

প্রতিবন্ধকতাকে হার মানানো শিশু মোস্তাকিম, পাশে মানবিক ব্যক্তি সৈয়দ হারুন এমজেএফ

আপডেট টাইম : ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি :

মোহাম্মদ আবু নাছেরঃ

“এক হাত নাই তো তাতে কি হয়েছে?”-এই একটি বাক্যই যেন নতুন করে সাহস আর আত্মবিশ্বাসের গল্প শোনাচ্ছে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছোট্ট শিশু মোঃ মোস্তাকিম।

 

প্লে গ্রুপের এই শিক্ষার্থী জন্মগত শারীরিক সীমাবদ্ধতা নিয়েও অসাধারণ মেধা, আত্মবিশ্বাস ও চেষ্টার মাধ্যমে সবার হৃদয় জয় করে নিয়েছে। এক হাত না থাকলেও তার চোখে-মুখে হতাশার ছাপ নেই; বরং আছে স্বপ্ন জয়ের দৃঢ় প্রত্যয়। তার প্রতিটি কাজ, লেখাপড়া ও অংশগ্রহণ দেখে বিস্মিত হচ্ছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়রা।

 

ছোট্ট মোস্তাকিমের এই এগিয়ে চলার পেছনে সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য নন-প্রফিট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান Sayed Ruhul Amin Smrity Academy (সৈয়দ রুহুল আমিন স্মৃতি একাডেমী)। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় উন্নত ও মানবিক শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলছে।

 

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে Sayed Harun Foundation-এর অর্থায়নে। আর এর পেছনে যাঁর মানবিক অবদান, আন্তরিক প্রচেষ্টা ও নিরলস সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত, তিনি হলেন সেনবাগের আপামর জনতার প্রিয় মানবিক ব্যক্তিত্ব Lion Sayed Harun MJF। শিক্ষা বিস্তার, সমাজসেবা ও মানবিক কার্যক্রমে তাঁর ভূমিকা ইতোমধ্যেই এলাকায় ব্যাপকভাবে সমাদৃত।

 

একাডেমির শিক্ষকরা জানান, মোস্তাকিম অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও মনোযোগী একজন শিক্ষার্থী। শারীরিক সীমাবদ্ধতাকে সে কখনো দুর্বলতা হিসেবে নেয়নি। বরং প্রতিদিন নতুন উদ্যমে ক্লাসে অংশ নেয় এবং নিজের কাজ নিজেই করার চেষ্টা করে।

 

স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, সমাজে যেখানে অনেক শিশু সামান্য প্রতিবন্ধকতায় পিছিয়ে পড়ে, সেখানে মোস্তাকিম হয়ে উঠেছে সাহস, আত্মবিশ্বাস ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির জীবন্ত উদাহরণ। তার এই গল্প অন্য শিশুদের মাঝেও নতুন প্রেরণা জোগাবে।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ইতোমধ্যে ছোট্ট মোস্তাকিমকে নিয়ে ব্যাপক প্রশংসা শুরু হয়েছে। অনেকে বলছেন, “এমন শিশুদের পাশে দাঁড়ানোই মানবতার সবচেয়ে বড় পরিচয়।”

 

সেনবাগবাসীর প্রত্যাশা, সঠিক পরিচর্যা ও উৎসাহ পেলে একদিন মোঃ মোস্তাকিম শুধু পরিবার বা প্রতিষ্ঠান নয়, পুরো নোয়াখালীর গর্ব হয়ে উঠবে।