দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
নলছিটিতে ভাঙনের মুখে দুই ইউনিয়ন, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ ইউএনও’র
মোঃ আমিন হোসেনঃ নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ও মোল্লারহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নজরুল ইসলাম এবং ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রতিনিধি দল। . মঙ্গলবার (২১ মে) রানাপাশা ইউনিয়নের হদুয়া প্রান্ত থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে ইসলামাবাদসহ আশপাশের ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন তারা। নদীগর্ভে বিলীন হওয়া এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্দশার কথা শোনেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। . পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাজেদুল বারী, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী উত্তম হালদার ও নাহিদ হাসান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওলাদ হোসেন, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন খান, রানাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম, ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ইলিয়াসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। . প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভাঙনরোধে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। . উল্লেখ্য, নদীভাঙনের কারণে বিগত কয়েক বছরে রানাপাশা ও মোল্লারহাট এলাকার বহু বাড়িঘর ও বেরিবাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। কিছুদিন আগেও স্থানীয়রা মানববন্ধনের মাধ্যমে নদীভাঙন থেকে পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন দুটিকে রক্ষার দাবি জানান।
মোঃ আমিন হোসেনঃ
নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ও মোল্লারহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নজরুল ইসলাম এবং ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রতিনিধি দল।
.
মঙ্গলবার (২১ মে) রানাপাশা ইউনিয়নের হদুয়া প্রান্ত থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে ইসলামাবাদসহ আশপাশের ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন তারা। নদীগর্ভে বিলীন হওয়া এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্দশার কথা শোনেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
.
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাজেদুল বারী, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী উত্তম হালদার ও নাহিদ হাসান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওলাদ হোসেন, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন খান, রানাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম, ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ইলিয়াসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
.
প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভাঙনরোধে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
.
উল্লেখ্য, নদীভাঙনের কারণে বিগত কয়েক বছরে রানাপাশা ও মোল্লারহাট এলাকার বহু বাড়িঘর ও বেরিবাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। কিছুদিন আগেও স্থানীয়রা মানববন্ধনের মাধ্যমে নদীভাঙন থেকে পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন দুটিকে রক্ষার দাবি জানান।