দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
মোঃ আমিন হোসেনঃ ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব ও অনৈতিক বার্তা পাঠানোর অভিযোগে রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ নুরুল্লাহকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে সংগঠন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান। তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের মাওলানা আমজাদ হোসেনের ছেলে নুরুল্লাহ ঝালকাঠি সদর উপজেলার কৃষ্ণকাঠির একটি ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এছাড়া মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীর মায়ের (প্রবাসীর স্ত্রী) মোবাইলে অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা পাঠানোর অভিযোগও ওঠে। এ ঘটনার পর স্থানীয়দের হাতে নুরুল্লাহ মারধরের শিকার হন। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে ঘটনার জবানবন্দির অংশবিশেষ একটি ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিও আকারে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি আরও আলোচনায় আসে। ভিডিওতে নুরুল্লাহকে বিব্রত অবস্থায় বসে থাকতে দেখা যায়। জেলা জামায়াত জানিয়েছে, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে। অভিযুক্ত নুরুল্লাহ নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় একটি মামলার জেরে কয়েকজন তাকে আটক করে মারধর করেছে এবং জোরপূর্বক টাকা নিয়েছে। এরপর তাকে নিয়ে অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে।
মোঃ আমিন হোসেনঃ
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব ও অনৈতিক বার্তা পাঠানোর অভিযোগে রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ নুরুল্লাহকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে সংগঠন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান।
তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের মাওলানা আমজাদ হোসেনের ছেলে নুরুল্লাহ ঝালকাঠি সদর উপজেলার কৃষ্ণকাঠির একটি ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এছাড়া মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীর মায়ের (প্রবাসীর স্ত্রী) মোবাইলে অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা পাঠানোর অভিযোগও ওঠে। এ ঘটনার পর স্থানীয়দের হাতে নুরুল্লাহ মারধরের শিকার হন।
স্থানীয়ভাবে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে ঘটনার জবানবন্দির অংশবিশেষ একটি ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিও আকারে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি আরও আলোচনায় আসে। ভিডিওতে নুরুল্লাহকে বিব্রত অবস্থায় বসে থাকতে দেখা যায়।
জেলা জামায়াত জানিয়েছে, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে।
অভিযুক্ত নুরুল্লাহ নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় একটি মামলার জেরে কয়েকজন তাকে আটক করে মারধর করেছে এবং জোরপূর্বক টাকা নিয়েছে। এরপর তাকে নিয়ে অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে।