দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
নড়াইল লোহাগড়া উপজেলার চাকুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী নিয়োগে ২টি পদে ২০ লাখ টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। উক্ত নিয়োগ বাতিল চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন চাকুরী প্রত্যাশী রেবেকা খাতুন। যানা গেছে, প্রধান শিক্ষক শাহিনুর ইসলাম নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী নাম মাত্র নিয়োাগ বোর্ড বসিয়ে টাকার বিনিময়ে পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া করেছেন। চাকরি প্রত্যাশী রেবেকার বাবা বাবুল মোল্যা অভিযোগ করে বলেন,বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাম মাত্র নিয়োগ বোর্ড বসিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার সকল কার্যক্রম ইতিমধ্যে সমাপ্ত করেছেন। তিনি আরো বলেন, আগামি সোমবার নিয়োগ পরিক্ষা হবে। নিয়োগ বোর্ডকে সম্মানির নামে খাম ধরিয়ে দিয়ে ফলাফল সিট সহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রে সাক্ষর করানোর জন্য সব বিষয়ে কথা কাজ হয়ে গেছে। প্রধান শিক্ষক আমার মেয়ে রেবেকাকে চাকুরী দেওয়া কথা বলে ৮ লাখ টাকা চেয়েছে প্রধান শিক্ষক, আমি দিতে রাজি না হওয়ায় সুইটি খাতুনকে টাকার বিনিময়ে রাজি করিয়েছে। আমি এই অবৈধ নিয়োগ বাতিল সহ সুষ্ঠু নিয়োগ দাবি করছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহিনুর ইসলাম বলেন, আমি টাকা গ্রহন করিনি। বিষয়টি সম্পর্কে জেলা শিক্ষা অফিসার ছায়েদুর রহমান বলেন, ওই বিদ্যালয়ের নিয়োগ সম্পর্কে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। আরও পড়ুনঃ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে ছাত্রছাত্রীদের স্মার্ট হতে হবে -এডভোকেট লিয়াকত...
নড়াইল লোহাগড়া উপজেলার চাকুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী নিয়োগে ২টি পদে ২০ লাখ টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। উক্ত নিয়োগ বাতিল চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন চাকুরী প্রত্যাশী রেবেকা খাতুন।
যানা গেছে, প্রধান শিক্ষক শাহিনুর ইসলাম নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী নাম মাত্র নিয়োাগ বোর্ড বসিয়ে টাকার বিনিময়ে পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া করেছেন।
চাকরি প্রত্যাশী রেবেকার বাবা বাবুল মোল্যা অভিযোগ করে বলেন,বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাম মাত্র নিয়োগ বোর্ড বসিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার সকল কার্যক্রম ইতিমধ্যে সমাপ্ত করেছেন।
তিনি আরো বলেন, আগামি সোমবার নিয়োগ পরিক্ষা হবে। নিয়োগ বোর্ডকে সম্মানির নামে খাম ধরিয়ে দিয়ে ফলাফল সিট সহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রে সাক্ষর করানোর জন্য সব বিষয়ে কথা কাজ হয়ে গেছে। প্রধান শিক্ষক আমার মেয়ে রেবেকাকে চাকুরী দেওয়া কথা বলে ৮ লাখ টাকা চেয়েছে প্রধান শিক্ষক, আমি দিতে রাজি না হওয়ায় সুইটি খাতুনকে টাকার বিনিময়ে রাজি করিয়েছে। আমি এই অবৈধ নিয়োগ বাতিল সহ সুষ্ঠু নিয়োগ দাবি করছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহিনুর ইসলাম বলেন, আমি টাকা গ্রহন করিনি।
বিষয়টি সম্পর্কে জেলা শিক্ষা অফিসার ছায়েদুর রহমান বলেন, ওই বিদ্যালয়ের নিয়োগ সম্পর্কে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।