আপডেট টাইম :
০৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪
২৬৯
বার পঠিত
দৌলতপুরে সাপের ছোবলে পাঁচ বছরের এক শিশুর মৃত্যু
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সাপের ছোবলে পাঁচ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে ঘুমের মধ্যে একটি সাপ তাকে ছোবল দেয়। নিহত শিশুর নাম সোয়াদ ইসলাম (৫)। সে দৌলতপুর উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দৌলতখালী চৌহুদ্দির মাঠ এলাকার সুখ চাঁদের ছেলে। নিহতদের পরিবার ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে দৌলতপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহি জানান, সোয়াদ তার বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে ঘুমের মধ্যে সোয়াদকে কিছু একটা কামড় দেয়। এ সময় শিশুটি টের পেয়ে চিৎকার করলে মা-বাবা ঘুম থেকে জেগে পাশেই একটি সাপ দেখতে পান। এ সময় বাবা সুখ চাঁদ ঘরে থাকা হাঁসুয়া দিয়ে সাপটিকে কোপ দিয়ে মেরে ফেলে। পরে দ্রুত দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল ১০টার দিকে শিশুটি মৃত্যু হয়। তবে সাপটি কেউ চিনতে পারেনি বলে জানান তিনি। আরও পড়ুনঃ ফরিদপুর শহরের সুইচ গেইটে গোসল করতে নেমে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী নিখোঁজ এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. তাপস কুমার সরকার বলেন, হাসপাতালে আসার সঙ্গে সঙ্গে শিশুটির চিকিৎসা শুরু হয়েছিল। অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ চলছিল। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সাপের ছোবলে পাঁচ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে ঘুমের মধ্যে একটি সাপ তাকে ছোবল দেয়।
নিহত শিশুর নাম সোয়াদ ইসলাম (৫)। সে দৌলতপুর উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দৌলতখালী চৌহুদ্দির মাঠ এলাকার সুখ চাঁদের ছেলে।
নিহতদের পরিবার ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে দৌলতপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহি জানান, সোয়াদ তার বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে ঘুমের মধ্যে সোয়াদকে কিছু একটা কামড় দেয়। এ সময় শিশুটি টের পেয়ে চিৎকার করলে মা-বাবা ঘুম থেকে জেগে পাশেই একটি সাপ দেখতে পান।
এ সময় বাবা সুখ চাঁদ ঘরে থাকা হাঁসুয়া দিয়ে সাপটিকে কোপ দিয়ে মেরে ফেলে। পরে দ্রুত দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল ১০টার দিকে শিশুটি মৃত্যু হয়। তবে সাপটি কেউ চিনতে পারেনি বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. তাপস কুমার সরকার বলেন, হাসপাতালে আসার সঙ্গে সঙ্গে শিশুটির চিকিৎসা শুরু হয়েছিল। অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ চলছিল। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।