ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

এআইতে বিদ্যুৎ ও পানির লুকানো খরচ

প্রযুক্তি ডেস্ক: আধুনিক প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর ব্যবহার বিশ্বজুড়ে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রযুক্তির নিত্যনতুন উদ্ভাবন মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ করলেও এর নেতিবাচক দিক নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর ডেটা সেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ এবং পানি খরচ হচ্ছে। সম্প্রতি বিভিন্ন গবেষণায় এই লুকানো খরচের বিষয়টি সামনে এসেছে যা পরিবেশবাদীদের চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেলগুলোকে প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং তা সচল রাখতে বিশাল পরিমাণ কম্পিউটিং ক্ষমতার প্রয়োজন হয়। এই বিপুল পরিমাণ ডেটা প্রসেসিংয়ের সময় সার্ভারগুলো অতিমাত্রায় গরম হয়ে যায়, যা ঠান্ডা রাখতে প্রচুর পানির ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি এই বিশাল অবকাঠামো সচল রাখতে বিশাল পরিমাণ বিদ্যুতের চাহিদা তৈরি হচ্ছে। ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাতের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ায় কার্বন নিঃসরণ বৃদ্ধির ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।

তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও আশার বাণী শুনিয়েছেন অনেক বিশেষজ্ঞ ও গবেষক। তাদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি রাতারাতি পৃথিবীর সমস্ত বিদ্যুৎ বা পানির মজুদ শেষ করে ফেলবে না। বরং সঠিক পরিকল্পনা, উন্নত প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব ডেটা সেন্টার তৈরির মাধ্যমে এই সম্পদের অপচয় অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। ইতোমধ্যে অনেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান শক্তি সাশ্রয়ী হার্ডওয়্যার এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য পানি ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিচ্ছে।

ভবিষ্যতে এআই খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কঠোর নীতিমালার দাবি উঠছে। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে কীভাবে এই প্রযুক্তির সুফল ভোগ করা যায়, তা নিয়ে এখন নীতিনির্ধারক ও বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে কাজ করছেন। প্রযুক্তি শিল্পের ধারাবাহিক বিকাশের সাথে পরিবেশগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা না গেলে তা দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের সংকটের জন্ম দিতে পারে। তাই সময় থাকতেই এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের পাশে প্রাইম ব্যাংক ও রানার মোটরস

error: Content is protected !!

এআইতে বিদ্যুৎ ও পানির লুকানো খরচ

আপডেট টাইম : ৫৫ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

প্রযুক্তি ডেস্ক: আধুনিক প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর ব্যবহার বিশ্বজুড়ে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রযুক্তির নিত্যনতুন উদ্ভাবন মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ করলেও এর নেতিবাচক দিক নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর ডেটা সেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ এবং পানি খরচ হচ্ছে। সম্প্রতি বিভিন্ন গবেষণায় এই লুকানো খরচের বিষয়টি সামনে এসেছে যা পরিবেশবাদীদের চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেলগুলোকে প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং তা সচল রাখতে বিশাল পরিমাণ কম্পিউটিং ক্ষমতার প্রয়োজন হয়। এই বিপুল পরিমাণ ডেটা প্রসেসিংয়ের সময় সার্ভারগুলো অতিমাত্রায় গরম হয়ে যায়, যা ঠান্ডা রাখতে প্রচুর পানির ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি এই বিশাল অবকাঠামো সচল রাখতে বিশাল পরিমাণ বিদ্যুতের চাহিদা তৈরি হচ্ছে। ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাতের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ায় কার্বন নিঃসরণ বৃদ্ধির ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।

তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও আশার বাণী শুনিয়েছেন অনেক বিশেষজ্ঞ ও গবেষক। তাদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি রাতারাতি পৃথিবীর সমস্ত বিদ্যুৎ বা পানির মজুদ শেষ করে ফেলবে না। বরং সঠিক পরিকল্পনা, উন্নত প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব ডেটা সেন্টার তৈরির মাধ্যমে এই সম্পদের অপচয় অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। ইতোমধ্যে অনেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান শক্তি সাশ্রয়ী হার্ডওয়্যার এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য পানি ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিচ্ছে।

ভবিষ্যতে এআই খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কঠোর নীতিমালার দাবি উঠছে। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে কীভাবে এই প্রযুক্তির সুফল ভোগ করা যায়, তা নিয়ে এখন নীতিনির্ধারক ও বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে কাজ করছেন। প্রযুক্তি শিল্পের ধারাবাহিক বিকাশের সাথে পরিবেশগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা না গেলে তা দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের সংকটের জন্ম দিতে পারে। তাই সময় থাকতেই এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।