আপডেট টাইম :
০১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০২৪
২৫৬
বার পঠিত
দৌলতপুরে রাস্তার কাজ বন্ধ, ভোগান্তিতে স্থানীয় জনতা
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন ঠিকাদার, ফলে এলাকাবাসীর চলাচলে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। উপজেলার হোগোলবাড়িয়া ইউনিয়নের টলটলি পাড়া বাজার থেকে মথুরাপুর ইউনিয়নের মথুরাপুর বাজার পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ গত ১৮ মার্চ ২০২৪ তারিখে শুরু হয়। এই কাজের জন্য (আরসিআইপি) প্রকল্পের অধীনে ১৮ কোটি ৯১ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকায় দরপত্র আহ্বান করা হয়। লটারির মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মিজানুর রহমান এন্ড আতা জে.ভি. কাজটি পায় এবং কাজ শুরু করে। যদিও রাস্তাটির কাজ ১১ আগস্ট ২০২৫ সালের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কাজ শুরুর কয়েক মাসের মধ্যে ঠিকাদার লাপাত্তা হয়ে যান। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঠিকাদার আতাউর রহমান (আতা) আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় কাজ বন্ধ করার পর তিনি পালিয়ে যান। রাস্তার কাজ শুরুর পর ৫-৬টি কালভার্ট ভেঙে ফেললে এবং রাস্তার পাশে বালি ও পাথর রেখে চলে যাওয়ায় রাস্তাটি আরো সংকীর্ণ হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় এলাকার জনসাধারণের চলাচলে চরম দুর্ভোগ হচ্ছে। তারা জানান, তারাগুনিয়া ও মথুরাপুর বাজারে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা হওয়ায় প্রতিনিয়ত তারা ভোগান্তিতে পড়ছেন। আরও পড়ুনঃ মাগুরায় নির্যাতনের ঘটনায় নির্বাহী প্রকৌশলীর বদলি এ বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিক উপজেলা প্রকৌশলী তৌহিদুল ইসলাম জোয়ার্দারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, নতুন করে ঠিকাদার নিয়োগের চেষ্টা চলছে এবং রাস্তার কাজ দ্রুত শেষ করার আশ্বাস দেন।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন ঠিকাদার, ফলে এলাকাবাসীর চলাচলে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। উপজেলার হোগোলবাড়িয়া ইউনিয়নের টলটলি পাড়া বাজার থেকে মথুরাপুর ইউনিয়নের মথুরাপুর বাজার পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ গত ১৮ মার্চ ২০২৪ তারিখে শুরু হয়।
এই কাজের জন্য (আরসিআইপি) প্রকল্পের অধীনে ১৮ কোটি ৯১ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকায় দরপত্র আহ্বান করা হয়। লটারির মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মিজানুর রহমান এন্ড আতা জে.ভি. কাজটি পায় এবং কাজ শুরু করে। যদিও রাস্তাটির কাজ ১১ আগস্ট ২০২৫ সালের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কাজ শুরুর কয়েক মাসের মধ্যে ঠিকাদার লাপাত্তা হয়ে যান।
এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঠিকাদার আতাউর রহমান (আতা) আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় কাজ বন্ধ করার পর তিনি পালিয়ে যান। রাস্তার কাজ শুরুর পর ৫-৬টি কালভার্ট ভেঙে ফেললে এবং রাস্তার পাশে বালি ও পাথর রেখে চলে যাওয়ায় রাস্তাটি আরো সংকীর্ণ হয়ে পড়ে।
এই অবস্থায় এলাকার জনসাধারণের চলাচলে চরম দুর্ভোগ হচ্ছে। তারা জানান, তারাগুনিয়া ও মথুরাপুর বাজারে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা হওয়ায় প্রতিনিয়ত তারা ভোগান্তিতে পড়ছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিক উপজেলা প্রকৌশলী তৌহিদুল ইসলাম জোয়ার্দারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, নতুন করে ঠিকাদার নিয়োগের চেষ্টা চলছে এবং রাস্তার কাজ দ্রুত শেষ করার আশ্বাস দেন।