দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
৩৬
বার পঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মানুষের সংঘর্ষে আহত ১০
আব্দুস সালাম তালুকদারঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দাদনচক হলমোড়ে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন ১০ জন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে মির্জা ফিলিং স্টেশনের সামনে ১২ রশিয়া গ্রাম ও দাদনচক গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। দফায় দফায় প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে এ সংঘর্ষ চলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হলেও পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এসময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে, যা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসিন আরাফাত ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) একরামুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের দুটি দল দুই গ্রামের বাসিন্দাদের আলাদা করে দেয় এবং এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনে। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এদিকে ৯ নম্বর দুলভপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. গোলাম আযমের নেতৃত্বে উভয় গ্রামের পাঁচজন করে মোট ১০ জন প্রতিনিধিকে নিয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে দুপুরে সমঝোতা সভার আয়োজন করা হয়।
আব্দুস সালাম তালুকদারঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দাদনচক হলমোড়ে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন ১০ জন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে মির্জা ফিলিং স্টেশনের সামনে ১২ রশিয়া গ্রাম ও দাদনচক গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। দফায় দফায় প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে এ সংঘর্ষ চলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হলেও পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এসময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে, যা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসিন আরাফাত ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) একরামুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের দুটি দল দুই গ্রামের বাসিন্দাদের আলাদা করে দেয় এবং এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনে। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এদিকে ৯ নম্বর দুলভপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. গোলাম আযমের নেতৃত্বে উভয় গ্রামের পাঁচজন করে মোট ১০ জন প্রতিনিধিকে নিয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে দুপুরে সমঝোতা সভার আয়োজন করা হয়।