দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
১১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
৮১
বার পঠিত
গংগাচড়ায় সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকের উপর হামলাঃ পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে সমালোচনা
মোঃ নাঈমুল ইসলামঃ রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার বড়াইবাড়ি এলাকায় পাপড়ি ফিলিং স্টেশনে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন দৈনিক সময়রের প্রত্যাশা পত্রিকার সাংবাদিক নাইম ইসলাম। জানা যায়, গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যায় তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে বড়াইবাড়ি পাপড়ি ফিলিং স্টেশনে একটি ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। এসময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক অতর্কিতভাবে তার উপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলে। এতে তিনি শারীরিকভাবে আহত হন এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, ঘটনার সময় গংগাচড়া থানার কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তারা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক মহল ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক নাইম ইসলাম জানান, “আমি আমার পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলাম। হঠাৎ করে কয়েকজন এসে আমার উপর হামলা চালায়। পুলিশ সামনে থাকলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি—এটা খুবই হতাশাজনক।” এ ঘটনায় সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে গংগাচড়া থানার কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
মোঃ নাঈমুল ইসলামঃ
রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার বড়াইবাড়ি এলাকায় পাপড়ি ফিলিং স্টেশনে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন দৈনিক সময়রের প্রত্যাশা পত্রিকার সাংবাদিক নাইম ইসলাম।
জানা যায়, গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যায় তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে বড়াইবাড়ি পাপড়ি ফিলিং স্টেশনে একটি ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। এসময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক অতর্কিতভাবে তার উপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলে। এতে তিনি শারীরিকভাবে আহত হন এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, ঘটনার সময় গংগাচড়া থানার কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তারা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক মহল ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক নাইম ইসলাম জানান, “আমি আমার পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলাম। হঠাৎ করে কয়েকজন এসে আমার উপর হামলা চালায়। পুলিশ সামনে থাকলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি—এটা খুবই হতাশাজনক।”
এ ঘটনায় সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে গংগাচড়া থানার কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।