ঢাকা , সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo মোবাইল চার্জ দিতে গিয়ে কিশোরীর মৃত্যু Logo ফরিদপুরে ওজোপাডিকোর উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo বাংলাদেশের আকাশে রহস্যময় আলোর ঝলকানি ঘিরে যা জানা যাচ্ছে Logo দেড় লাখ টাকার গাছ ৫০ হাজারে নিলাম Logo ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডারঃ ১০ ঘণ্টায় গ্রেফতার প্রধান আসামি, উদ্ধার কোদাল Logo ফরিদপুরে ‘শ্মশান বন্ধু’ কানু সেন অনেকটাই সুস্থ Logo বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে Logo নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মামলার আসামিসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার Logo খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হবে আগামীকাল Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

কুষ্টিয়ায় প্রস্তুত দুই লক্ষাধিক কোরবানির পশু

ইসমাইল হোসেন বাবু:

 

প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা গরু-ছাগলের জন্য দেশজুড়ে সুনাম রয়েছে কুষ্টিয়া জেলার। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুষ্টিয়ার গবাদিপশুর ব্যাপক চাহিদা থাকায় কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ত সময় কাটান এই জেলার খামারিরা। এবারও জেলার বিভিন্ন খামার ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রায় দুই লাখের বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন খামারিরা। তবে গোখাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে প্রত্যাশিত দাম না-পেলে লোকসানের আশঙ্কা করছেন তারা।

 

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বিভিন্ন পশুখামার ঘুরে দেখা যায়, খামারিরা কোরবানি ঈদ উপলক্ষে গরু-ছাগল প্রস্তুত করছেন।

 

তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও নিরাপদ গোখাদ্যের মাধ্যমে কোরবানির পশু প্রস্তুত করছেন তারা। খামারি মনোহার আলী বলেন, “আগে তুলনামূলক বেশি গরু পালন করা হতো। এখন লাভ কমে যাওয়ায় অনেকেই সীমিতসংখ্যক গরু প্রস্তুত করছেন। লাভ বেশি হলে উৎপাদনও বাড়ত।”

 

একই এলাকার পিয়াস এগ্রোর খামারি মো. পিয়াস জানান, বাজারে পশুর দাম নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় এবার তিনি অল্পসংখ্যক গরু প্রস্তুত করেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের খামারে কোনো ধরনের স্টেরয়েড বা ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করা হয় না। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবারেই গরু মোটাতাজা করা হয়। এজন্য কুষ্টিয়ার পশুর আলাদা চাহিদা রয়েছে।”

 

আরেক খামারি আনোয়ার হোসেন বলেন, “ভারত থেকে গরু না এলে স্থানীয় খামারিরা ভালো দাম পাবেন এবং কিছুটা লাভবান হবেন।”

 

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আল মামুন হোসেন মণ্ডল জানান, কুষ্টিয়ার প্রায় ১৯ হাজার খামারে দুই লাখের বেশি গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলার চাহিদা প্রায় এক লাখ পশু হলেও অতিরিক্ত পশু দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

 

তিনি বলেন, “খামারিদের দেশীয় খাবার ব্যবহার করে প্রাকৃতিক উপায়ে পশু প্রস্তুতের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় টিকা ও চিকিৎসাসেবাও নিশ্চিত করা হয়েছে।”

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমারখালী হাসপাতালের আবাসিক ভবনে মুরগির খামার, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ রোগীরা

error: Content is protected !!

কুষ্টিয়ায় প্রস্তুত দুই লক্ষাধিক কোরবানির পশু

আপডেট টাইম : ১১ ঘন্টা আগে
ইসমাইল হোসেন বাবু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার :

ইসমাইল হোসেন বাবু:

 

প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা গরু-ছাগলের জন্য দেশজুড়ে সুনাম রয়েছে কুষ্টিয়া জেলার। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুষ্টিয়ার গবাদিপশুর ব্যাপক চাহিদা থাকায় কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ত সময় কাটান এই জেলার খামারিরা। এবারও জেলার বিভিন্ন খামার ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রায় দুই লাখের বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন খামারিরা। তবে গোখাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে প্রত্যাশিত দাম না-পেলে লোকসানের আশঙ্কা করছেন তারা।

 

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বিভিন্ন পশুখামার ঘুরে দেখা যায়, খামারিরা কোরবানি ঈদ উপলক্ষে গরু-ছাগল প্রস্তুত করছেন।

 

তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও নিরাপদ গোখাদ্যের মাধ্যমে কোরবানির পশু প্রস্তুত করছেন তারা। খামারি মনোহার আলী বলেন, “আগে তুলনামূলক বেশি গরু পালন করা হতো। এখন লাভ কমে যাওয়ায় অনেকেই সীমিতসংখ্যক গরু প্রস্তুত করছেন। লাভ বেশি হলে উৎপাদনও বাড়ত।”

 

একই এলাকার পিয়াস এগ্রোর খামারি মো. পিয়াস জানান, বাজারে পশুর দাম নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় এবার তিনি অল্পসংখ্যক গরু প্রস্তুত করেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের খামারে কোনো ধরনের স্টেরয়েড বা ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করা হয় না। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবারেই গরু মোটাতাজা করা হয়। এজন্য কুষ্টিয়ার পশুর আলাদা চাহিদা রয়েছে।”

 

আরেক খামারি আনোয়ার হোসেন বলেন, “ভারত থেকে গরু না এলে স্থানীয় খামারিরা ভালো দাম পাবেন এবং কিছুটা লাভবান হবেন।”

 

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আল মামুন হোসেন মণ্ডল জানান, কুষ্টিয়ার প্রায় ১৯ হাজার খামারে দুই লাখের বেশি গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলার চাহিদা প্রায় এক লাখ পশু হলেও অতিরিক্ত পশু দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

 

তিনি বলেন, “খামারিদের দেশীয় খাবার ব্যবহার করে প্রাকৃতিক উপায়ে পশু প্রস্তুতের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় টিকা ও চিকিৎসাসেবাও নিশ্চিত করা হয়েছে।”