ঢাকা , মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

এক বাল্ব ও এক ফ্যানের বিল পৌনে ৫ লাখ টাকা

মাগুরার মহম্মদপুরে পবিত্র কুমার বিশ্বাসের বসতবাড়িতে পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একটি বাল্ব ও একটি ফ্যানের বিল এসেছে পৌনে পাঁচ লাখ টাকা।

পবিত্র কুমার বিশ্বাস উপজেলার পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের বনগ্রামের মৃত শ্রীপতি বিশ্বাসের ছেলে। মার্চ মাসে ওই বাড়িতে পবিত্র কুমার বিশ্বাসের বৃদ্ধ এক মা ছাড়া কেউ ছিলেন না। মার্চ মাসে একটি বাল্ব ও একটি ফ্যান চালিয়ে বিলম্ব বিলসহ এসেছে ৪ লাখ ৭৩ হাজার ৭৫১ টাকা।

জানা যায়, মহম্মদপুর উপজেলার অধিকাংশ মিটারে আগের তুলনায় বর্তমানে অনেক বেশি বিল আসছে। বিদ্যুৎ অফিসে জানিয়ে কোনো ফল পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। এর ফলে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে হতাশায় রয়েছেন তারা। মিটার না দেখে আনুমানিকভাবে বিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

পবিত্র কুমার বিশ্বাসের বৃদ্ধ মা মিরারানী জানান, গত জানুয়ারি মাসে ৩৫০ টাকা এবং ফেব্রুয়ারি মাসে ২৮৩ টাকা বিল এসেছে। কিন্তু মার্চ মাসে চার লাখ ৭৩ হাজার ৭৫১ টাকা বিলের কাগজ ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। মিটার না দেখে অনুমানের ওপর নির্ভর করে বিল করেছে বিদ্যুৎ অফিস।

তিনি বলেন, আমাদের কোনো বকেয়া বিল নেই। আমার বাড়িতে আমি ছাড়া আর কেউ থাকে না। বাড়িতে একটি ফ্যান, একটি ফ্রিজ, একটি পানি তোলার মোটর, দুইটি লাইট এবং টেলিভিশন ব্যবহৃত হয়। আমার তিন ছেলে সবাই বাইরে থাকে। এমন বিল দেখে আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছি। ছেলেদের জানালে তারাও হতবাক হয়ে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছে। এর আগে গত ছয় মাস আগে একটি বিলে ১৫শ’ টাকা এসেছিল। সেই টাকা আমি অনেক কষ্টে পরিশোধ করি।

স্থানীয়রা জানান, আমরা এই ভুতুড়ে বিল দেখে রীতিমতো অবাক হয়েছি।

মহম্মদপুর সাব-জোনাল অফিসের এজিএম রেজাউল করিম এ বিষয়ে বলেন, এটা তেমন কিছু না, কম্পিউটারে পোস্টিং দেওয়ার সময় ভুল হয়েছে, বিলের কপি নিয়ে আসলে ঠিক করে দেওয়া হবে।


Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে চর বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও চরবাসীর জন্য আলাদা বাজেটের দাবি

error: Content is protected !!

এক বাল্ব ও এক ফ্যানের বিল পৌনে ৫ লাখ টাকা

আপডেট টাইম : ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ ২০২১
মোঃ শফিকুল ইসলাম জীবন, মহম্মদপুর, মাগুরা প্রতিনিধিঃ :

মাগুরার মহম্মদপুরে পবিত্র কুমার বিশ্বাসের বসতবাড়িতে পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একটি বাল্ব ও একটি ফ্যানের বিল এসেছে পৌনে পাঁচ লাখ টাকা।

পবিত্র কুমার বিশ্বাস উপজেলার পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের বনগ্রামের মৃত শ্রীপতি বিশ্বাসের ছেলে। মার্চ মাসে ওই বাড়িতে পবিত্র কুমার বিশ্বাসের বৃদ্ধ এক মা ছাড়া কেউ ছিলেন না। মার্চ মাসে একটি বাল্ব ও একটি ফ্যান চালিয়ে বিলম্ব বিলসহ এসেছে ৪ লাখ ৭৩ হাজার ৭৫১ টাকা।

জানা যায়, মহম্মদপুর উপজেলার অধিকাংশ মিটারে আগের তুলনায় বর্তমানে অনেক বেশি বিল আসছে। বিদ্যুৎ অফিসে জানিয়ে কোনো ফল পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। এর ফলে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে হতাশায় রয়েছেন তারা। মিটার না দেখে আনুমানিকভাবে বিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

পবিত্র কুমার বিশ্বাসের বৃদ্ধ মা মিরারানী জানান, গত জানুয়ারি মাসে ৩৫০ টাকা এবং ফেব্রুয়ারি মাসে ২৮৩ টাকা বিল এসেছে। কিন্তু মার্চ মাসে চার লাখ ৭৩ হাজার ৭৫১ টাকা বিলের কাগজ ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। মিটার না দেখে অনুমানের ওপর নির্ভর করে বিল করেছে বিদ্যুৎ অফিস।

তিনি বলেন, আমাদের কোনো বকেয়া বিল নেই। আমার বাড়িতে আমি ছাড়া আর কেউ থাকে না। বাড়িতে একটি ফ্যান, একটি ফ্রিজ, একটি পানি তোলার মোটর, দুইটি লাইট এবং টেলিভিশন ব্যবহৃত হয়। আমার তিন ছেলে সবাই বাইরে থাকে। এমন বিল দেখে আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছি। ছেলেদের জানালে তারাও হতবাক হয়ে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছে। এর আগে গত ছয় মাস আগে একটি বিলে ১৫শ’ টাকা এসেছিল। সেই টাকা আমি অনেক কষ্টে পরিশোধ করি।

স্থানীয়রা জানান, আমরা এই ভুতুড়ে বিল দেখে রীতিমতো অবাক হয়েছি।

মহম্মদপুর সাব-জোনাল অফিসের এজিএম রেজাউল করিম এ বিষয়ে বলেন, এটা তেমন কিছু না, কম্পিউটারে পোস্টিং দেওয়ার সময় ভুল হয়েছে, বিলের কপি নিয়ে আসলে ঠিক করে দেওয়া হবে।