দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আমতলীতে ট্রাফিকের দায়িত্বে শিক্ষর্থী ও আমতলীবাসী সংগঠনের সদস্যরা
অরক্ষিত হয়ে পড়েছে পুরো শহর, কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না একজন পুলিশ সদস্য। তাই বরগুনার আমতলীতে ব্যস্ততম এলাকা চৌরাস্তা, বটতলা, এঁকে স্কুল চৌরাস্তাসহ বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন করছে শিক্ষার্থী ও আমরা আমতলীবাসী সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা। বুধবার (৭ আগস্ট) এই দৃশ্য দেখা যায়। তারা জানায়, আজকে আমতলীতে সাপ্তাহিক বাজারের দিন তাই যানজট অনেক বেশি এছাড়াও ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় একটুতেই যানজট সৃষ্টি হয়। তাই আমরা ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছি।’ উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার পতনের পর অরক্ষিত হয়ে পড়েছে শহর। কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না একজন পুলিশ সদস্যকেও। খাঁ খাঁ করছে চারদিক, রাস্তায় নেই কোনো ট্রাফিক। ফলে রাস্তায় যানবাহনের শৃঙ্খলা ফেরাতে রোদের মধ্যে কাজ করছে শিক্ষার্থীরা। পুলিশের অনুপস্থিতিতে তারা কাঁধে তুলে নিয়েছেন ট্রাফিকের দায়িত্ব। এবিষয়ে শিক্ষার্থী সুমাইয়া শিলা, সাজিদ, আমিরুল সহ সকলে বলেন এই দেশটা আমাদের, এই দেশের সম্পদ রক্ষা করার দায়িত্বও আমাদের। এই ব্যাপারে সকল শিক্ষার্থীদের সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান করছি। আরও পড়ুনঃ সারা দেশে সেনাবাহিনী ক্যাম্পের যোগাযোগের নম্বর আমরা আমতলীবাসী সংগঠনের সভাপতি মোঃ সাইদুর রহমান বলেন দেশ গড়ার দায়িত্ব আমাদের। সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের যৌক্তিক দাবি আদায় করেছে। অনেক চড়াই-উৎরাই পার করতে হয়েছে। এখন আমাদের দেশকে আমরাই সাজাবো। সড়কে এতদিন নানান অসংগতি থাকলেও এখন আর সেগুলো করতে দেওয়া হবে না। তরুণদের মধ্যে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে তারা যেকোনো...
অরক্ষিত হয়ে পড়েছে পুরো শহর, কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না একজন পুলিশ সদস্য। তাই বরগুনার আমতলীতে ব্যস্ততম এলাকা চৌরাস্তা, বটতলা, এঁকে স্কুল চৌরাস্তাসহ বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন করছে শিক্ষার্থী ও আমরা আমতলীবাসী সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা।
বুধবার (৭ আগস্ট) এই দৃশ্য দেখা যায়। তারা জানায়, আজকে আমতলীতে সাপ্তাহিক বাজারের দিন তাই যানজট অনেক বেশি এছাড়াও ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় একটুতেই যানজট সৃষ্টি হয়। তাই আমরা ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছি।’
উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার পতনের পর অরক্ষিত হয়ে পড়েছে শহর। কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না একজন পুলিশ সদস্যকেও। খাঁ খাঁ করছে চারদিক, রাস্তায় নেই কোনো ট্রাফিক। ফলে রাস্তায় যানবাহনের শৃঙ্খলা ফেরাতে রোদের মধ্যে কাজ করছে শিক্ষার্থীরা। পুলিশের অনুপস্থিতিতে তারা কাঁধে তুলে নিয়েছেন ট্রাফিকের দায়িত্ব।
এবিষয়ে শিক্ষার্থী সুমাইয়া শিলা, সাজিদ, আমিরুল সহ সকলে বলেন এই দেশটা আমাদের, এই দেশের সম্পদ রক্ষা করার দায়িত্বও আমাদের। এই ব্যাপারে সকল শিক্ষার্থীদের সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান করছি।
আমরা আমতলীবাসী সংগঠনের সভাপতি মোঃ সাইদুর রহমান বলেন দেশ গড়ার দায়িত্ব আমাদের। সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের যৌক্তিক দাবি আদায় করেছে। অনেক চড়াই-উৎরাই পার করতে হয়েছে। এখন আমাদের দেশকে আমরাই সাজাবো। সড়কে এতদিন নানান অসংগতি থাকলেও এখন আর সেগুলো করতে দেওয়া হবে না। তরুণদের মধ্যে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে তারা যেকোনো ধরনের বৈষম্য এবং দুর্নীতি রুখে দিতে বদ্ধপরিকর।