দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৭:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২২
২৯১
বার পঠিত
আজ মহম্মদপুরের আবীর হোসেনের আত্মোৎসর্গের দিন
৭১’র ১৬ অক্টোবর মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটার জয়ারামপুরে যুদ্ধে পাকহানাদার বাহিনীর ছোড়া গুলিতে রণক্ষেত্রে শহীদ হন আবীর হোসেন। তিনি উপজেলার কাশিপুর গ্রামের মৃত: মুনছুর মোল্যার ছেলে। মাত্র ১৬ বছর বয়সে টসবগে তরুণ আবীর হোসেন বীরদর্পে ঝাপিয়ে পড়েন মহান মুক্তিযুদ্ধে। ৭১’র ১৬ অক্টোবর উপজেলা সদর থেকে ১৫-১৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত নহাটার জয়ারামপুর নামক স্থানে বিকাল থেকে শুরু হয় পাকবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধ। সম্মুখ সমরে যুদ্ধরত আবীর হোসেন পাকবাহিনীর ছোড়া গুলিতে শহীদ হন। আবীর হোসেন যে স্থানে শহীদ হন সেখানে একটি স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। এই বীর সেনানীর শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আজ রবিবার পরিবারের উদ্যোগে বাদ জোহর কোরআনখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার দুপুরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আয়োজনে ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামানন্দ পালের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু আব্দুল্লাহেল কাফী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বেবী নাজনীন, থানার ওসি অসিত কুমার রায়, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাই, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. তিলাম হোসেন, নজরুল ইসলাম আব্দুর রহমান প্রমূখ। আরও পড়ুনঃ পাংশায় সম্প্রীতি মহিলা উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে ভেড়া বিতরণ শহীদের স্মরণে তাঁর নিজ গ্রামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং উপজেলা সদরে একটি সাধারণ পাঠাগারের নামকরণ করা হয়েছে।
৭১’র ১৬ অক্টোবর মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটার জয়ারামপুরে যুদ্ধে পাকহানাদার বাহিনীর ছোড়া গুলিতে রণক্ষেত্রে শহীদ হন আবীর হোসেন। তিনি উপজেলার কাশিপুর গ্রামের মৃত: মুনছুর মোল্যার ছেলে।
মাত্র ১৬ বছর বয়সে টসবগে তরুণ আবীর হোসেন বীরদর্পে ঝাপিয়ে পড়েন মহান মুক্তিযুদ্ধে। ৭১’র ১৬ অক্টোবর উপজেলা সদর থেকে ১৫-১৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত নহাটার জয়ারামপুর নামক স্থানে বিকাল থেকে শুরু হয় পাকবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধ। সম্মুখ সমরে যুদ্ধরত আবীর হোসেন পাকবাহিনীর ছোড়া গুলিতে শহীদ হন। আবীর হোসেন যে স্থানে শহীদ হন সেখানে একটি স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে।
এই বীর সেনানীর শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আজ রবিবার পরিবারের উদ্যোগে বাদ জোহর কোরআনখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
রবিবার দুপুরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আয়োজনে ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামানন্দ পালের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু আব্দুল্লাহেল কাফী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বেবী নাজনীন, থানার ওসি অসিত কুমার রায়, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাই, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. তিলাম হোসেন, নজরুল ইসলাম আব্দুর রহমান প্রমূখ।