দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার কমলাপুর গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মিথ্যা অগ্নি সংযোগ ও লুটপাটের মামলা দিয়ে নিরীহ লোকদেরকে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, কমলাপুর গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর ছেলে ঢাকায় বসবাসকারী সেনেটারি মিস্ত্রী মো. রফিকুল ইসলাম (২৮) এর সাথে একই গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলাম এর সাথে দীর্ঘ দিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এমতাবস্থায় নজরুল ইসলাম রফিকুলকে বেকায়দায় ফেলতে নিজ ঘরে অগ্নিসংযোগ করে উপজেলা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যজিষ্ট্রেট ২ নং আমলী আদালত ময়মনসিংহে একটি মামলা দায়ের করে। যার সিআর মোকাদ্দমা নং- ৩৬৩/২৩,২৬/০৪/২০২৩। পরিকল্পিতভাবে মামলায় রফিকুলসহ তাঁর আত্নীয়-স্বজনের ৭ জনকে আসামি করা হয়। মিথ্যা এ মামলায় হতবাক হয়েছেন স্থানীয়রা। হাসেম আলী বলেন, আমার আত্নীয় হিসেবে শালিসে আসছিলাম। আমাকেও মিথ্যা মামলায় আসামী করা হয়েছে। আমি মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। এ বিষয়ে মামলার ৩ ও ৪ নং সাক্ষীদ্বয় মঞ্জুরুল ও শেখ ফরিদ বলেন, আমরা কিছুই জানি না আমাদেরকে অহেতুক সাক্ষী দিয়েছে। আরও পড়ুনঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছেলের ধাক্কায় বাবার মৃত্যু স্থানীয় ইউপি সদস্য আছমত আলী বলেন, এবিষয়ে আমি ও চেয়ারম্যান শালিস করেছি। জমি সংক্রান্ত বিরোধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অহেতুক মামলা করেছে। মিথ্যা মামলা বাদী তুলে নেওয়ার কথা বলেছিল।
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার কমলাপুর গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মিথ্যা অগ্নি সংযোগ ও লুটপাটের মামলা দিয়ে নিরীহ লোকদেরকে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, কমলাপুর গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর ছেলে ঢাকায় বসবাসকারী সেনেটারি মিস্ত্রী মো. রফিকুল ইসলাম (২৮) এর সাথে একই গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলাম এর সাথে দীর্ঘ দিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এমতাবস্থায় নজরুল ইসলাম রফিকুলকে বেকায়দায় ফেলতে নিজ ঘরে অগ্নিসংযোগ করে উপজেলা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যজিষ্ট্রেট ২ নং আমলী আদালত ময়মনসিংহে একটি মামলা দায়ের করে। যার সিআর মোকাদ্দমা নং- ৩৬৩/২৩,২৬/০৪/২০২৩।
পরিকল্পিতভাবে মামলায় রফিকুলসহ তাঁর আত্নীয়-স্বজনের ৭ জনকে আসামি করা হয়। মিথ্যা এ মামলায় হতবাক হয়েছেন স্থানীয়রা।
হাসেম আলী বলেন, আমার আত্নীয় হিসেবে শালিসে আসছিলাম। আমাকেও মিথ্যা মামলায় আসামী করা হয়েছে। আমি মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে মামলার ৩ ও ৪ নং সাক্ষীদ্বয় মঞ্জুরুল ও শেখ ফরিদ বলেন, আমরা কিছুই জানি না আমাদেরকে অহেতুক সাক্ষী দিয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আছমত আলী বলেন, এবিষয়ে আমি ও চেয়ারম্যান শালিস করেছি। জমি সংক্রান্ত বিরোধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অহেতুক মামলা করেছে। মিথ্যা মামলা বাদী তুলে নেওয়ার কথা বলেছিল।