দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
রনি আহমেদ রাজুঃ মাগুরা সদর উপজেলায় অবস্থিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন কার্যালয়ের স্টেশন অফিসার মোঃ রুহুল আমিন এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ইটভাটা ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান থেকে অবৈধভাবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট সরজমিনে অনুসন্ধান করে জানা যায় গ্রীণ এগ্রো লিমিটেড এর প্রোপাইটর মোঃ জাহিদুল হক লিটুর কাছে থেকে গত ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ম্যানুয়াল ফি বাবদ মাগুরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের স্টেশন অফিসার রুহুল আমিন ৫ টা সিলিন্ডার দিয়ে ৩৬ হাজার টাকা নিয়েছে। যার প্রতিটার মূল্যে এত টাকা নয়। মাগুরা ঢাকা রোড কাচা বাজার মোড়ে অবস্থিত রয়েল হোটেলের মালিকের কাছে লাইসেন্সের জন্য ২০ হাজার টাকা চাই, পরে ৬ টি বোতল দিয়েছে। প্রথমে ৩০ হাজার টাকা চেয়েছে পরে দরাদরি করে ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে। সাজিয়াড়া অটো রাইস মিল থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন হোটেল, দোকান, বাসা-বাড়ি, পারসোনাল অফিস থেকেও এই সিন্ডিকেট ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অতিরিক্ত টাকা নিয়েছে। এবিষয়ে মাগুরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার মোঃ রুহুল আমিন বলেন, অতিরিক্ত টাকা নেওয়া এগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট আর আমি সরাসরি কখনও টাকা নেয়নি। আপনারা যদি নিউজ করেন তাহলে আমার স্যারের মতো আমারও শাস্তিমূলক বদলি হয়ে যাবে, এবং মান সম্মান ক্ষুন্ন হবে। আপনারা নিউজ করেন না আমি...
রনি আহমেদ রাজুঃ
মাগুরা সদর উপজেলায় অবস্থিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন কার্যালয়ের স্টেশন অফিসার মোঃ রুহুল আমিন এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ইটভাটা ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান থেকে অবৈধভাবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট সরজমিনে অনুসন্ধান করে জানা যায় গ্রীণ এগ্রো লিমিটেড এর প্রোপাইটর মোঃ জাহিদুল হক লিটুর কাছে থেকে গত ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ম্যানুয়াল ফি বাবদ মাগুরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের স্টেশন অফিসার রুহুল আমিন ৫ টা সিলিন্ডার দিয়ে ৩৬ হাজার টাকা নিয়েছে। যার প্রতিটার মূল্যে এত টাকা নয়।
মাগুরা ঢাকা রোড কাচা বাজার মোড়ে অবস্থিত রয়েল হোটেলের মালিকের কাছে লাইসেন্সের জন্য ২০ হাজার টাকা চাই, পরে ৬ টি বোতল দিয়েছে। প্রথমে ৩০ হাজার টাকা চেয়েছে পরে দরাদরি করে ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে। সাজিয়াড়া অটো রাইস মিল থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন হোটেল, দোকান, বাসা-বাড়ি, পারসোনাল অফিস থেকেও এই সিন্ডিকেট ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অতিরিক্ত টাকা নিয়েছে।
এবিষয়ে মাগুরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার মোঃ রুহুল আমিন বলেন, অতিরিক্ত টাকা নেওয়া এগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট আর আমি সরাসরি কখনও টাকা নেয়নি। আপনারা যদি নিউজ করেন তাহলে আমার স্যারের মতো আমারও শাস্তিমূলক বদলি হয়ে যাবে, এবং মান সম্মান ক্ষুন্ন হবে। আপনারা নিউজ করেন না আমি কোন টাকা পয়সা নেইনি।