জসীমউদ্দীন ইতিঃ
দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বড় মেয়ে মির্জা শামারুহ। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ৮টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সপরিবারে ভোট দেন তারা।
এ সময় মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম এবং দুই কন্যা মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারু। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পেরে ফখরুল পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আনন্দ ও স্বস্তি দেখা যায়।
‘বাবা ১৭ বছর কষ্ট করেছেন’
ভোট দেওয়ার পর মির্জা শামারুহ তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমি শেষ ভোট দিয়েছিলাম ২০০১ সালে। এরপর দীর্ঘ ২৫ বছর পর আজ ২০২৬-এ ভোট দিতে পারলাম। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমার বাবা একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশের জন্য দীর্ঘ ১৭ বছর জেল-জুলুম সহ্য করে কষ্ট করেছেন। তিনি একা নন, তার সঙ্গে লাখ লাখ মানুষ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তাদের সেই আত্মত্যাগের ফলেই আজ দেশের মানুষ এই সুন্দর পরিবেশে ভোট দিতে পারছে।”
‘আগে ভোট দিতে এসেও পারিনি’
বিএনপি মহাসচিবের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম বর্তমান পরিস্থিতির প্রশংসা করে বলেন, “খুব সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পেরেছি। মনের ভেতর একটা শান্তি কাজ করছে। এর আগে বেশ কয়েকবার ভোট দিতে আসলেও সফল হতে পারিনি; গিয়ে দেখেছি আমার ভোট আগেই হয়ে গেছে। আজ নিজের ভোট নিজে দিতে পারাটাই বড় আনন্দের।”
বাবার জন্য শুভকামনা
ছোট মেয়ে মির্জা সাফারু বলেন, “১৭ বছর পর এই উৎসবমুখর পরিবেশ দেখে আমি অভিভূত। আগে কেন্দ্রে এসে ফিরে যেতে হতো, এবার ভোট দিতে পেরে আমি গর্বিত। আল্লাহর কাছে দোয়া করি, এবার যেন বাবার জন্য একটি ভালো ফলাফল আসে।”
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সকাল থেকেই কেন্দ্রটিতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
প্রিন্ট

ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার 
জসীমউদ্দীন ইতি, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি 





















