ঢাকা , বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিএনপি প্রার্থী স্বামীর জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন চীনা স্ত্রী Logo আপনারা যাকে খুশি তাকে ভোট দেন, কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের ভোট দেবেন না —ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল Logo সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদমদীঘিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা Logo গোমস্তাপুরে ভারতীয় নাগরিক রণজিৎ মন্ডলকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দিল বিজিবি Logo রাজবাড়ী-২ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সাইয়েদ জামিল Logo ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা Logo মাদারীপুরে পরকীয়ার অভিযোগঃ ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী, অভিযুক্ত আটক Logo ফরিদপুরের ভাটি কানাইপুরে ডাকাতি সংঘটিত Logo সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে Logo মধুখালীর রায়পুর ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

১০ বছর ধরে অকার্যকর সংযোগ সেতু, দুর্ভোগে হরষপুর–কাশিমনগরের মানুষ

ইপাজ খাঁঃ

 

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ২ নম্বর চৌমুহনী ইউনিয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতু নির্মাণের প্রায় ১০ বছর পার হলেও আজ পর্যন্ত সেটি কোনো কাজে আসেনি। এই সেতু দিয়ে এখনো কোনো গাড়ি, মানুষ এমনকি গবাদিপশুও চলাচল করেনি। ফলে সেতুটি এলাকার মানুষের জন্য উপকারের বদলে দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

হরষপুর রেলওয়ের ৩২ নম্বর ব্রিজের দুই পাশে প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হলেও হাসিনাবাদ–জামালপুর সংযোগ সেতুটি সংযোগ না থাকায় চলাচল বন্ধ রয়েছে। রেল ব্রিজের পাশেই থাকা এই কালভার্টটি আজও ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

 

হরষপুর থেকে কাশিমনগর খুব কাছের এলাকা হলেও সেতু না থাকায় স্থানীয় মানুষকে ৪ কিলোমিটারের পথ যেতে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। এতে সময় বেশি লাগে এবং অতিরিক্ত খরচও হচ্ছে।

 

বর্ষাকালে নালায় পানি বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। তখন অনেক মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেল ব্রিজের ওপর কাঠের তক্তা চেপে পারাপার হন। প্রায় ১৫০ ফুট লম্বা এই ব্রিজ পার হতে একজন সুস্থ মানুষেরও ৮ থেকে ১০ মিনিট সময় লাগে। এ সময় হঠাৎ ট্রেন চলে এলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। দুর্বল মানুষদের পক্ষে এই পথ পার হওয়া প্রায় অসম্ভব।

 

স্থানীয়রা বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর হরষপুর থেকে কাশিমনগর পর্যন্ত আধা-পাকা রাস্তা তৈরি হলেও সংযোগ সেতু না থাকায় সেই রাস্তার পুরো সুবিধা তারা পাচ্ছেন না।

 

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউন নবী বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। সেতুটি মেরামত করে চালু করার জন্য আমরা কাজ করছি।” এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সেতুটি চালু করা হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে তারা মুক্তি পাবেন।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারায় জরাজীর্ণ কমিউনিটি ক্লিনিক ভবন

error: Content is protected !!

১০ বছর ধরে অকার্যকর সংযোগ সেতু, দুর্ভোগে হরষপুর–কাশিমনগরের মানুষ

আপডেট টাইম : ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
মোঃ ইপাজ খাঁ, মাধবপুর ( হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :

ইপাজ খাঁঃ

 

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ২ নম্বর চৌমুহনী ইউনিয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতু নির্মাণের প্রায় ১০ বছর পার হলেও আজ পর্যন্ত সেটি কোনো কাজে আসেনি। এই সেতু দিয়ে এখনো কোনো গাড়ি, মানুষ এমনকি গবাদিপশুও চলাচল করেনি। ফলে সেতুটি এলাকার মানুষের জন্য উপকারের বদলে দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

হরষপুর রেলওয়ের ৩২ নম্বর ব্রিজের দুই পাশে প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হলেও হাসিনাবাদ–জামালপুর সংযোগ সেতুটি সংযোগ না থাকায় চলাচল বন্ধ রয়েছে। রেল ব্রিজের পাশেই থাকা এই কালভার্টটি আজও ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

 

হরষপুর থেকে কাশিমনগর খুব কাছের এলাকা হলেও সেতু না থাকায় স্থানীয় মানুষকে ৪ কিলোমিটারের পথ যেতে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। এতে সময় বেশি লাগে এবং অতিরিক্ত খরচও হচ্ছে।

 

বর্ষাকালে নালায় পানি বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। তখন অনেক মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেল ব্রিজের ওপর কাঠের তক্তা চেপে পারাপার হন। প্রায় ১৫০ ফুট লম্বা এই ব্রিজ পার হতে একজন সুস্থ মানুষেরও ৮ থেকে ১০ মিনিট সময় লাগে। এ সময় হঠাৎ ট্রেন চলে এলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। দুর্বল মানুষদের পক্ষে এই পথ পার হওয়া প্রায় অসম্ভব।

 

স্থানীয়রা বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর হরষপুর থেকে কাশিমনগর পর্যন্ত আধা-পাকা রাস্তা তৈরি হলেও সংযোগ সেতু না থাকায় সেই রাস্তার পুরো সুবিধা তারা পাচ্ছেন না।

 

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউন নবী বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। সেতুটি মেরামত করে চালু করার জন্য আমরা কাজ করছি।” এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সেতুটি চালু করা হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে তারা মুক্তি পাবেন।


প্রিন্ট