প্রদীপ্ত চক্রবর্তী:
চট্টগ্রাম–১২ (পটিয়া) আসনের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ সৃষ্টি হয়েছে। এলডিপির প্রার্থী এম. ইয়াকুব আলী (ছাতা প্রতীক)-কে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম। এর ফলে সম্প্রতি ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নিয়ে চলমান জটিলতা, নাটকীয়তা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটেছে।
গতকাল দক্ষিণ জেলা ও পটিয়া উপজেলা জামায়াতের যৌথ সভা শেষে ডা. ফরিদুল আলমের পক্ষে এ ঘোষণা দেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের নেতা আনোয়ারুল আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জোটের বৃহত্তর স্বার্থে এলডিপির প্রার্থীকে সমর্থন জানানো হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত কোনো ব্যক্তি বা একক দলের স্বার্থে নয়; বরং বৃহত্তর রাজনৈতিক লক্ষ্য সামনে রেখেই নেওয়া হয়েছে।
এদিকে জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণায় পটিয়া জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, ১৯৯৬ সালের পর এবার পটিয়াতে জামায়াত প্রার্থী দেওয়ার মাধ্যমে দলের সাংগঠনিক শক্তি, গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের একটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত আর বাস্তবায়িত হলো না।
অন্যদিকে, এলডিপির প্রার্থী ১১ দলীয় জোটের একক প্রার্থী হওয়ায় পটিয়ায় এলডিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে খুশির আমেজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পটিয়া উপজেলা এলডিপির সভাপতি মো. মনছুর আলম জানান, জোটগতভাবে ছাতা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণায় নামার জন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত ও এলডিপির এই ঐক্যের মধ্য দিয়ে পটিয়ার নির্বাচনী রাজনীতিতে একটি নতুন মেরুকরণ তৈরি হয়েছে। তাদের ধারণা, বিএনপির সঙ্গে ১১ দলীয় জোটের ভোটের লড়াই হবে তীব্র ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
প্রিন্ট

বিএনপি প্রার্থী স্বামীর জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন চীনা স্ত্রী 
প্রদীপ্ত চক্রবর্তী, পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 


















