ঢাকা , সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে Logo মধুখালীর রায়পুর ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু Logo মধুখালীতে দোয়া মাহফিল ও গণমাধ্যম কর্মিদের সাথে মতবিনিময় Logo বাঘায় মুক্তিযোদ্ধার সাথে সংসদ সদস্য প্রার্থী চাঁদের মতবিনিময় Logo শিবগঞ্জে চোখ উপড়ে পাহারাদারকে হত্যা Logo মধুখালীতে সাংবাদিক সাগর চক্রবর্তীর মোটরসাইকেল চুরি Logo বালিয়াকান্দিতে মোবাইলকোট পরিচালনায় দুই ট্রলি চালককে জরিমানা  Logo বগুড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য পালশা ডে নাইট শর্ট পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত Logo তানোর বিএনপির রাজনীতিতে জাহাঙ্গীরকে দায়িত্বশীল পদে দেখতে চায় তৃণমুল Logo কালুখালীতে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

মধুখালীতে সিজারের ১০ দিন পর প্রসূতির মৃত্যু দামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

ইনামুল খন্দকারঃ

 

মধুখালীতে সিজারের ১০ দিন পর অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মধুখালী অবস্থিত সানজিদা ক্লিনিকে এ ঘটনায় মালিক পক্ষ দামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জানা যায়, গত ডিসেম্বর মাসের ২২ তারিখে ডাঃ মঈনুল হোসেন শাহিন প্রসূতির সিজার করেন, এবিষয়ে ডাঃ শাহিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হয় না।

 

প্রসূতি সুমাইয়া বেগম তার বাবার বাড়ী মধুরাপুর পিতাঃ মৃত, মুরাদ মৃধা, স্বামীর বাড়ীর বারিশাল স্বামীর নাম রহমতুল্লাহ প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনা দামাচাপা ও মিমাংসা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, তবে প্রসূতি সুমাইয়ার মা শিরিনা সাংবাদিকদের সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে বেরিয়ে আসে সঠিক তথ্য তিনি বলেন, সিজার করার ১০ দিন পর অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে আমার মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে।

 

তিনি আরো বলেন এবিষয়ে আমার কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে। আমার মন মানছে না ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, ডিসেম্বরের ২২ তারিখে সিজার করা হয় ১০ দিন পর হঠাৎ প্রচুর রক্ত বের হয়, সানজিদা ক্লিনিকের মিজানের সাথে কথা বললে সে আমাকে ফরিদপুর ডায়াবেটিস ক্লিনিকে যেতে বলে, সাথে সাথে ফরিদপুর ডায়াবেটিস ক্লিনিকে নিয়ে গেলে ডাক্তার না থাকায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়; কিন্তু রক্ত বন্ধ হয় না আরো মটরের পানির মতো বেশি রক্ত বের হতে থাকে, দায়িত্বরত ডাক্তার ঢাকায় নিয়ে যেতে বলে ঢাকায় নেওয়ার উদ্দেশ্য অ্যাম্বুলেন্সে উঠাতে গেলে আমার মেয়েটি মারা যায়। আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি রক্ত ক্ষরণের ৪ ঘন্টার মধ্যে আমার মনি মারা যায় এটা মেনে নেওয়া যায় না।

 

এবিষয়ে সানজিদা ক্লিনিকের মালিক পক্ষ মিজানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমাদের ক্লিনিক থেকে রোগী সুস্থ অবস্থায় বাড়ী ফিরেছে।  পরে কি হয়েছে সেটা জানি না।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

মধুখালীতে সিজারের ১০ দিন পর প্রসূতির মৃত্যু দামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

আপডেট টাইম : ৮ ঘন্টা আগে
ইনামুল খন্দকার, মধুখালী (ফরিদপুর) থেকে :

ইনামুল খন্দকারঃ

 

মধুখালীতে সিজারের ১০ দিন পর অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মধুখালী অবস্থিত সানজিদা ক্লিনিকে এ ঘটনায় মালিক পক্ষ দামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জানা যায়, গত ডিসেম্বর মাসের ২২ তারিখে ডাঃ মঈনুল হোসেন শাহিন প্রসূতির সিজার করেন, এবিষয়ে ডাঃ শাহিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হয় না।

 

প্রসূতি সুমাইয়া বেগম তার বাবার বাড়ী মধুরাপুর পিতাঃ মৃত, মুরাদ মৃধা, স্বামীর বাড়ীর বারিশাল স্বামীর নাম রহমতুল্লাহ প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনা দামাচাপা ও মিমাংসা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, তবে প্রসূতি সুমাইয়ার মা শিরিনা সাংবাদিকদের সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে বেরিয়ে আসে সঠিক তথ্য তিনি বলেন, সিজার করার ১০ দিন পর অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে আমার মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে।

 

তিনি আরো বলেন এবিষয়ে আমার কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে। আমার মন মানছে না ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, ডিসেম্বরের ২২ তারিখে সিজার করা হয় ১০ দিন পর হঠাৎ প্রচুর রক্ত বের হয়, সানজিদা ক্লিনিকের মিজানের সাথে কথা বললে সে আমাকে ফরিদপুর ডায়াবেটিস ক্লিনিকে যেতে বলে, সাথে সাথে ফরিদপুর ডায়াবেটিস ক্লিনিকে নিয়ে গেলে ডাক্তার না থাকায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়; কিন্তু রক্ত বন্ধ হয় না আরো মটরের পানির মতো বেশি রক্ত বের হতে থাকে, দায়িত্বরত ডাক্তার ঢাকায় নিয়ে যেতে বলে ঢাকায় নেওয়ার উদ্দেশ্য অ্যাম্বুলেন্সে উঠাতে গেলে আমার মেয়েটি মারা যায়। আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি রক্ত ক্ষরণের ৪ ঘন্টার মধ্যে আমার মনি মারা যায় এটা মেনে নেওয়া যায় না।

 

এবিষয়ে সানজিদা ক্লিনিকের মালিক পক্ষ মিজানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমাদের ক্লিনিক থেকে রোগী সুস্থ অবস্থায় বাড়ী ফিরেছে।  পরে কি হয়েছে সেটা জানি না।


প্রিন্ট