ঢাকা , সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে Logo মধুখালীর রায়পুর ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু Logo মধুখালীতে দোয়া মাহফিল ও গণমাধ্যম কর্মিদের সাথে মতবিনিময় Logo বাঘায় মুক্তিযোদ্ধার সাথে সংসদ সদস্য প্রার্থী চাঁদের মতবিনিময় Logo শিবগঞ্জে চোখ উপড়ে পাহারাদারকে হত্যা Logo মধুখালীতে সাংবাদিক সাগর চক্রবর্তীর মোটরসাইকেল চুরি Logo বালিয়াকান্দিতে মোবাইলকোট পরিচালনায় দুই ট্রলি চালককে জরিমানা  Logo বগুড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য পালশা ডে নাইট শর্ট পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত Logo তানোর বিএনপির রাজনীতিতে জাহাঙ্গীরকে দায়িত্বশীল পদে দেখতে চায় তৃণমুল Logo কালুখালীতে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

মুকসুদপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৮ শত মণ পাট পুড়ে ছাই, সর্বস্বান্ত তিন ব্যবসায়ী

বাদশাহ মিয়া:

 

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় তিনটি পাটের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ১৮ শত মণ পাট পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডে দোকানঘরসহ আনুমানিক এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে মুকসুদপুর সরকারি টিএনটি অফিসের সামনে অবস্থিত একটি পাটের গুদামে হঠাৎ আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের আরও দুইটি গুদামে। এতে তিনটি গুদামে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ পাট সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়।

 

খবর পেয়ে মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন মাস্টার মেহেদি হাসানের নেতৃত্বে মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী ফায়ার সার্ভিসের মোট চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, অগ্নিকাণ্ডে পাট ব্যবসায়ী সুনীল সাহার প্রায় ১ হাজার ৩০০ মণ, নির্মল সাহার ১৭৫ মণ এবং ইকরাম মিয়ার আনুমানিক ৩০০ মণ পাট সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী সুনীল সাহা বলেন, “প্রতিদিনের মতো রাত আটটার দিকে গুদাম বন্ধ করে বাড়ি যাই। কীভাবে আগুন লাগলো বুঝতে পারছি না। আমার ১ হাজার ৩০০ মণ পাট পুড়ে গেছে। আমি একেবারে সর্বস্বান্ত হয়ে গেছি।”

 

অপর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ইকরাম মিয়া বলেন, “আমার গুদামে ৩০০ মণ পাট ছিল। সব শেষ হয়ে গেছে।”

 

মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মেহেদি হাসান জানান, রাত আড়াইটার দিকে স্টেশনের পাশেই পাটের গুদামে আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট যৌথভাবে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গুদামের পেছনে রাখা কাঠের গুড়ি থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

 

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

মুকসুদপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৮ শত মণ পাট পুড়ে ছাই, সর্বস্বান্ত তিন ব্যবসায়ী

আপডেট টাইম : ১২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
বাদশাহ মিয়া, মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি :

বাদশাহ মিয়া:

 

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় তিনটি পাটের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ১৮ শত মণ পাট পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডে দোকানঘরসহ আনুমানিক এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে মুকসুদপুর সরকারি টিএনটি অফিসের সামনে অবস্থিত একটি পাটের গুদামে হঠাৎ আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের আরও দুইটি গুদামে। এতে তিনটি গুদামে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ পাট সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়।

 

খবর পেয়ে মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন মাস্টার মেহেদি হাসানের নেতৃত্বে মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী ফায়ার সার্ভিসের মোট চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, অগ্নিকাণ্ডে পাট ব্যবসায়ী সুনীল সাহার প্রায় ১ হাজার ৩০০ মণ, নির্মল সাহার ১৭৫ মণ এবং ইকরাম মিয়ার আনুমানিক ৩০০ মণ পাট সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী সুনীল সাহা বলেন, “প্রতিদিনের মতো রাত আটটার দিকে গুদাম বন্ধ করে বাড়ি যাই। কীভাবে আগুন লাগলো বুঝতে পারছি না। আমার ১ হাজার ৩০০ মণ পাট পুড়ে গেছে। আমি একেবারে সর্বস্বান্ত হয়ে গেছি।”

 

অপর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ইকরাম মিয়া বলেন, “আমার গুদামে ৩০০ মণ পাট ছিল। সব শেষ হয়ে গেছে।”

 

মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মেহেদি হাসান জানান, রাত আড়াইটার দিকে স্টেশনের পাশেই পাটের গুদামে আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট যৌথভাবে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গুদামের পেছনে রাখা কাঠের গুড়ি থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

 

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।


প্রিন্ট