ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

৮ মাস বাড়ার পর এবার এলপিজি’র দাম কমল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম : ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৪
  • ২০৫ বার পঠিত

আট মাস ধরে ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৪৮৩ টাকা বাড়ার পর ৪০ টাকা কমেছে। চলতি মাস থেকে এর মূল্য ১ হাজার ৪৪২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহার্য অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ৬৮ টাকা ৫ পয়সা থেকে কমে হয়েছে ৬৬ টাকা ২১ পয়সা। অন্যান্য ধরনের এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের দামও কমেছে। সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম ৬৯০ টাকাই রাখা হয়েছে। এটি সারা দেশের চাহিদার মাত্র এক-দেড় শতাংশ পূরণ করতে পারে। আবার যাও সরবরাহ করা হয় তা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।

 

গতকাল বুধবার দুপুরে গ্যাসের নতুন দাম ঘোষণা করেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান নুরুল আমিন। সে সময় উপস্থিত ছিলেন বিইআরসির সদস্য ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, আবুল খায়ের মো. আমিনুর রহমান, ড. মো. হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

গত বছরের জুলাই মাসে বেসরকারি খাতের ১২ কেজির তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ছিল ৯৯৯ টাকা। ৮ মাসের ব্যবধানে গত মার্চে সমপরিমাণ এলপিজির দাম বেড়ে হয়েছিল ১৪৮২ টাকা। বিক্রেতারা আরও বেশি দামে বিক্রি করেছেন।

 

এলপিজি মূলত প্রোপেন ও বিউটেনের একটি মিশ্র অনুপাত। দুটিই আমদানি করা হয়। সৌদি প্রতিষ্ঠান আরামকোর ঘোষিত মূল্য (সৌদি সিপি) ধরে এলপি গ্যাসের দাম ঠিক করে বিইআরসি। এলপিজি আমদানিকারক কোম্পানিগুলোর ইনভয়েস মূল্যকে আমলে নিয়ে দর ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশে ২০টি কোম্পানি এলপিজির কাঁচামাল আমদানি করে। দাম নির্ধারণে ডলারের মূল্যও একটি ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশে প্রোপেন ও বিউটেন ৩৫:৬৫ অনুপাতে মিশিয়ে এলপিজি তৈরি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সৌদি আরামকোর নির্ধারণ করা দাম অনুযায়ী প্রোপেন ও বিউটেনের গড় মূল্য মার্চে ছিল ৬৩৬ দশমিক ৫০ ডলার; এপ্রিলে ১৮ দশমিক ২৫ ডলার কমে দাম হয়েছে ৬১৮ দশমিক ২৫ ডলার।

বিইআরসি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতি ডলারের দাম ধরা হয়েছিল ১২০ টাকা ৫২ পয়সা, মার্চে ১১৯ টাকা ৮৯ পয়সা এবং এপ্রিলে ডলারের মূল্য ধরা হয়েছে ১১৮ টাকা ৭৫ পয়সা। এ দুই কারণে এবার এলপিজির দাম কমেছে।’

এপ্রিল মাসের জন্য এলপি গ্যাসের দাম কেজিতে ৩ টাকা ৩৪ পয়সা কমিয়ে ১২০ টাকা ১৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। এ হিসাবে বাসাবাড়িতে ব্যবহার্য রেটিকুলেটেড এলপিজির দাম ঠিক করা হয়েছে প্রতি কেজি ১১৬ টাকা ৩৬ পয়সা।

বাজারে সাড়ে ৫ কেজি থেকে ৪৫ কেজি পর্যন্ত বিভিন্ন আকারের সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়। গৃহস্থালি রান্নার পাশাপাশি রেস্তোরাঁ, পরিবহন, ছোট-বড় শিল্প-কারখানায়ও এলপিজি ব্যবহার করা হয়। গ্যাসের বাজারের ৯৯ শতাংশের বেশি বেসরকারি খাতের দখলে।

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি মাসে এলপিজির দাম ঠিক করা হলেও ব্যবসায়ীরা ভোক্তার কাছ থেকে ইচ্ছেমতো বাড়তি দাম আদায় করছে, এমন অভিযোগের বিষয়ে বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পাইপলাইনের গ্যাসের সংকটের কারণে এলপি গ্যাস বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রামের মতো বড় শহরগুলোতে। বিইআরসি প্রতি মাসের শুরুতে এলপিজির দাম ঠিক করে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে বিশ্ব রেডিওগ্রাফি দিবস পালিত

error: Content is protected !!

৮ মাস বাড়ার পর এবার এলপিজি’র দাম কমল

আপডেট টাইম : ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৪
ডেস্ক রিপোর্ট :

আট মাস ধরে ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৪৮৩ টাকা বাড়ার পর ৪০ টাকা কমেছে। চলতি মাস থেকে এর মূল্য ১ হাজার ৪৪২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহার্য অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ৬৮ টাকা ৫ পয়সা থেকে কমে হয়েছে ৬৬ টাকা ২১ পয়সা। অন্যান্য ধরনের এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের দামও কমেছে। সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম ৬৯০ টাকাই রাখা হয়েছে। এটি সারা দেশের চাহিদার মাত্র এক-দেড় শতাংশ পূরণ করতে পারে। আবার যাও সরবরাহ করা হয় তা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।

 

গতকাল বুধবার দুপুরে গ্যাসের নতুন দাম ঘোষণা করেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান নুরুল আমিন। সে সময় উপস্থিত ছিলেন বিইআরসির সদস্য ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, আবুল খায়ের মো. আমিনুর রহমান, ড. মো. হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

গত বছরের জুলাই মাসে বেসরকারি খাতের ১২ কেজির তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ছিল ৯৯৯ টাকা। ৮ মাসের ব্যবধানে গত মার্চে সমপরিমাণ এলপিজির দাম বেড়ে হয়েছিল ১৪৮২ টাকা। বিক্রেতারা আরও বেশি দামে বিক্রি করেছেন।

 

এলপিজি মূলত প্রোপেন ও বিউটেনের একটি মিশ্র অনুপাত। দুটিই আমদানি করা হয়। সৌদি প্রতিষ্ঠান আরামকোর ঘোষিত মূল্য (সৌদি সিপি) ধরে এলপি গ্যাসের দাম ঠিক করে বিইআরসি। এলপিজি আমদানিকারক কোম্পানিগুলোর ইনভয়েস মূল্যকে আমলে নিয়ে দর ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশে ২০টি কোম্পানি এলপিজির কাঁচামাল আমদানি করে। দাম নির্ধারণে ডলারের মূল্যও একটি ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশে প্রোপেন ও বিউটেন ৩৫:৬৫ অনুপাতে মিশিয়ে এলপিজি তৈরি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সৌদি আরামকোর নির্ধারণ করা দাম অনুযায়ী প্রোপেন ও বিউটেনের গড় মূল্য মার্চে ছিল ৬৩৬ দশমিক ৫০ ডলার; এপ্রিলে ১৮ দশমিক ২৫ ডলার কমে দাম হয়েছে ৬১৮ দশমিক ২৫ ডলার।

বিইআরসি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতি ডলারের দাম ধরা হয়েছিল ১২০ টাকা ৫২ পয়সা, মার্চে ১১৯ টাকা ৮৯ পয়সা এবং এপ্রিলে ডলারের মূল্য ধরা হয়েছে ১১৮ টাকা ৭৫ পয়সা। এ দুই কারণে এবার এলপিজির দাম কমেছে।’

এপ্রিল মাসের জন্য এলপি গ্যাসের দাম কেজিতে ৩ টাকা ৩৪ পয়সা কমিয়ে ১২০ টাকা ১৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। এ হিসাবে বাসাবাড়িতে ব্যবহার্য রেটিকুলেটেড এলপিজির দাম ঠিক করা হয়েছে প্রতি কেজি ১১৬ টাকা ৩৬ পয়সা।

বাজারে সাড়ে ৫ কেজি থেকে ৪৫ কেজি পর্যন্ত বিভিন্ন আকারের সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়। গৃহস্থালি রান্নার পাশাপাশি রেস্তোরাঁ, পরিবহন, ছোট-বড় শিল্প-কারখানায়ও এলপিজি ব্যবহার করা হয়। গ্যাসের বাজারের ৯৯ শতাংশের বেশি বেসরকারি খাতের দখলে।

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি মাসে এলপিজির দাম ঠিক করা হলেও ব্যবসায়ীরা ভোক্তার কাছ থেকে ইচ্ছেমতো বাড়তি দাম আদায় করছে, এমন অভিযোগের বিষয়ে বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পাইপলাইনের গ্যাসের সংকটের কারণে এলপি গ্যাস বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রামের মতো বড় শহরগুলোতে। বিইআরসি প্রতি মাসের শুরুতে এলপিজির দাম ঠিক করে।