কুষ্টিয়া পুলিশের অভিযানে ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার
ইসমাইল হোসেন বাবু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারকুষ্টিয়া জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের মূল্যবান সম্পদ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে সোনার চেইন, আংটিসহ বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার হোগলবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার (০৮ নভেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—নাইম হোসেন, পারভীনা খাতুন, ইন্তদুল হক, তরিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান ও রেখা খাতুন। তাদের সবার বাড়ি মেহেরপুর জেলার গাংনী থানার হোগলবাড়িয়া এলাকায়।কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চক্রটির ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে মূল্যবান সম্পদ হাতিয়ে নিচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি আরও জানান, এই প্রতারণার চক্রের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
ইসমাইল হোসেন বাবু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার
কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের মূল্যবান সম্পদ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে সোনার চেইন, আংটিসহ বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার হোগলবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার (০৮ নভেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—নাইম হোসেন, পারভীনা খাতুন, ইন্তদুল হক, তরিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান ও রেখা খাতুন। তাদের সবার বাড়ি মেহেরপুর জেলার গাংনী থানার হোগলবাড়িয়া এলাকায়।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চক্রটির ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে মূল্যবান সম্পদ হাতিয়ে নিচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি আরও জানান, এই প্রতারণার চক্রের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।