দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
১ আগস্ট থেকে সংস্কারের জন্য তিন মাস বন্ধ চট্টগ্রামের কালুরঘাট সেতু
বৃটিশ আমলে নির্মিত ৯২ বছরের জরাজীর্ণ কালুরঘাট সেতুকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল চলাচলের জন্য উপযোগী করতে সংস্কার কাজের জন্য ১ আগস্ট থেকে ৩ মাস বন্ধ থাকবে কালুরঘাট সেতু। একই সাথে পথচারী পারাপারে পৃথক একটি ওয়াক ওয়ে নির্মাণ কাজের জন্য কালুরঘাট সেতু তিন মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে রেলওয়ে। এ সময় নদী পারাপারে ফেরি ব্যবহার করা যাবে। সেতুর সংস্কার চলাকালীন সময়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধের বিষয়ে নোটিশ জারি করা হয়েছে। নোটিশে তিনমাস বন্ধের কথা বলা হলেও যতদ্রুত সম্ভব অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে খুলে দেওয়ার চেষ্টা করবে রেলওয়ে। এ বছর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে নতুন রেল চালু করতে যাচ্ছে রেলওয়ে। তবে জরাজীর্ণ কালুরঘাট সেতু ভারী ইঞ্জিন বহন করতে সক্ষম না হওয়ায় সেতুটি সংস্কার করা জরুরি হয়ে ওঠে। বুয়েট পরামর্শক দলের পরামর্শে সেতুটি সংস্কার কাজ করছে রেলওয়ে। আরও পড়ুনঃ দেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি চায় বিএনপিঃ -প্রধানমন্ত্রী সওজ জানিয়েছে, ফেরি পারাপারে ৫৬৫ টাকা টোল দিতে হবে ট্রেইলারকে। বড় ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ৪৫০ টাকা, মাঝারি ট্রাক ২২৫ টাকা, মিনি ট্রাকে ১৭০ টাকা দিতে হবে। বড় বাস ২০৫ টাকা, মিনি বাস ও কোস্টার ১১৫ টাকা, মাইক্রোবাস, পিকআপ, জিপ ৯০ টাকা, কার ৫৫ টাকা, ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার ১৩৫ টাকা, তিন চাকার অটোরিকশা ২৫ টাকা, মোটর সাইকেল ১০ টাকা এবং রিক্সা, ভ্যান, বাইসাইকেলকে ৫ টাকা দিতে হবে।
বৃটিশ আমলে নির্মিত ৯২ বছরের জরাজীর্ণ কালুরঘাট সেতুকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল চলাচলের জন্য উপযোগী করতে সংস্কার কাজের জন্য ১ আগস্ট থেকে ৩ মাস বন্ধ থাকবে কালুরঘাট সেতু। একই সাথে পথচারী পারাপারে পৃথক একটি ওয়াক ওয়ে নির্মাণ কাজের জন্য কালুরঘাট সেতু তিন মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে রেলওয়ে। এ সময় নদী পারাপারে ফেরি ব্যবহার করা যাবে।
সেতুর সংস্কার চলাকালীন সময়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধের বিষয়ে নোটিশ জারি করা হয়েছে। নোটিশে তিনমাস বন্ধের কথা বলা হলেও যতদ্রুত সম্ভব অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে খুলে দেওয়ার চেষ্টা করবে রেলওয়ে।
এ বছর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে নতুন রেল চালু করতে যাচ্ছে রেলওয়ে। তবে জরাজীর্ণ কালুরঘাট সেতু ভারী ইঞ্জিন বহন করতে সক্ষম না হওয়ায় সেতুটি সংস্কার করা জরুরি হয়ে ওঠে। বুয়েট পরামর্শক দলের পরামর্শে সেতুটি সংস্কার কাজ করছে রেলওয়ে।
সওজ জানিয়েছে, ফেরি পারাপারে ৫৬৫ টাকা টোল দিতে হবে ট্রেইলারকে। বড় ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ৪৫০ টাকা, মাঝারি ট্রাক ২২৫ টাকা, মিনি ট্রাকে ১৭০ টাকা দিতে হবে। বড় বাস ২০৫ টাকা, মিনি বাস ও কোস্টার ১১৫ টাকা, মাইক্রোবাস, পিকআপ, জিপ ৯০ টাকা, কার ৫৫ টাকা, ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার ১৩৫ টাকা, তিন চাকার অটোরিকশা ২৫ টাকা, মোটর সাইকেল ১০ টাকা এবং রিক্সা, ভ্যান, বাইসাইকেলকে ৫ টাকা দিতে হবে।