ঢাকা , বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

কুড়িগ্রামে গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে গেল বিক্ষুব্ধ কৃষক

কাজল ইসলামঃ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরেও সার না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে কৃষকেরা একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা প্রায় ১০ কেজি সার প্রকাশ্যে নিয়ে যাওয়ায় ঘটনা ঘটেছে।

 

রোববার (২৩ আগস্ট) কুড়িগ্রাম ভুরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনাটি ঘটেছে। জানা যায় বিক্ষুব্ধ কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরেও সার না পেয়ে সকাল ১১ টার দিকে গুদামের দরজা ভেঙে সারগুলো নিয়ে যেতে থাকেন। এ ঘটনায় পুলিশের সহযোগিতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়ে গেছে যায় এবং বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

 

স্থানীয়রা জানান, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্স এর মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের সঠিকভাবে সরবরাহ করেন না। তার মোট বরাদ্দ ছিলো ১৩২০ বস্তা সার। এর মধ্যে গুদামে মজুদ রাখা ছিল প্রায় ৩৪০ বস্তা সার।

 

অন্যদিকে সকাল থেকে ডিলার পয়েন্টে সামনে দুই শতাধিক কৃষক সারের জন্য সংঘবদ্ধ হয়ে অপেক্ষা করেন। কিন্তূ দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরেও ডিলার পয়েন্ট খোলেন না কর্তৃপক্ষ। এতে করে ক্ষিপ্ত হয়ে কৃষকেরা গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সারের বস্তা মাথায় করে নিয়ে যেতে থাকেন।

 

পরিস্থিতি অস্বাভাবিক দেখে দ্রুত খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। খবর পেয়ে পুলিশ তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। এবং গুদামে থাকা বাকি সারগুলো হেফাজতে করেন।

 

ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিমুদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা সার। কিন্তু মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা। উত্তোলন আরও কম ছিল। ফলে কৃষকরা সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে গুদাম থেকে সার নিয়ে গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে থামিয়েছে। এরমধ্যে ১৯৭ বস্তা সার কৃষকরা নিয়ে গেছে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন ৩৩ বস্তা ফেরত দিয়ে গেছে। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

 

এ বিষয়ে পজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারকে ফোন দেয়া হলে তিনি তৎক্ষনাৎ কোন প্রতিক্রিয়া জানাননি। ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ বলেন, আমি সারাদিন জেলা মিটিং-এ ছিলাম। ফলে বিষয়ে আমি অবগত নই।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় দুই শিশুকে সড়কের পাশে রেখে যাওয়ার অভিযোগ

error: Content is protected !!

কুড়িগ্রামে গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে গেল বিক্ষুব্ধ কৃষক

আপডেট টাইম : ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
কাজল ইসলাম, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :

কাজল ইসলামঃ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরেও সার না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে কৃষকেরা একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা প্রায় ১০ কেজি সার প্রকাশ্যে নিয়ে যাওয়ায় ঘটনা ঘটেছে।

 

রোববার (২৩ আগস্ট) কুড়িগ্রাম ভুরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনাটি ঘটেছে। জানা যায় বিক্ষুব্ধ কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরেও সার না পেয়ে সকাল ১১ টার দিকে গুদামের দরজা ভেঙে সারগুলো নিয়ে যেতে থাকেন। এ ঘটনায় পুলিশের সহযোগিতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়ে গেছে যায় এবং বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

 

স্থানীয়রা জানান, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্স এর মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের সঠিকভাবে সরবরাহ করেন না। তার মোট বরাদ্দ ছিলো ১৩২০ বস্তা সার। এর মধ্যে গুদামে মজুদ রাখা ছিল প্রায় ৩৪০ বস্তা সার।

 

অন্যদিকে সকাল থেকে ডিলার পয়েন্টে সামনে দুই শতাধিক কৃষক সারের জন্য সংঘবদ্ধ হয়ে অপেক্ষা করেন। কিন্তূ দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরেও ডিলার পয়েন্ট খোলেন না কর্তৃপক্ষ। এতে করে ক্ষিপ্ত হয়ে কৃষকেরা গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সারের বস্তা মাথায় করে নিয়ে যেতে থাকেন।

 

পরিস্থিতি অস্বাভাবিক দেখে দ্রুত খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। খবর পেয়ে পুলিশ তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। এবং গুদামে থাকা বাকি সারগুলো হেফাজতে করেন।

 

ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিমুদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা সার। কিন্তু মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা। উত্তোলন আরও কম ছিল। ফলে কৃষকরা সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে গুদাম থেকে সার নিয়ে গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে থামিয়েছে। এরমধ্যে ১৯৭ বস্তা সার কৃষকরা নিয়ে গেছে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন ৩৩ বস্তা ফেরত দিয়ে গেছে। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

 

এ বিষয়ে পজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারকে ফোন দেয়া হলে তিনি তৎক্ষনাৎ কোন প্রতিক্রিয়া জানাননি। ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ বলেন, আমি সারাদিন জেলা মিটিং-এ ছিলাম। ফলে বিষয়ে আমি অবগত নই।