দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অগাস্ট ২০২১
৩৪১
বার পঠিত
হেলেনা জাহাঙ্গীরের ২ ‘সহযোগী’ ঢাকার গাবতলী থেকে গ্রেফতার
রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীরের দুই ‘সহযোগীকে’ গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। তারা হলেন- হাজেরা খাতুন ও সানাউল্ল্যাহ নূরী। মঙ্গলবার সকালে তাদের গ্রেফতার করা হয়। র্যাবের দাবি, গ্রেফতার দুজন হেলেনা জাহাঙ্গীরের অন্যতম দুই সহযোগী। হেলেনা জাহাঙ্গীর ‘আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ’ নামে একটি সংগঠন করে আলোচনায় আসেন। এরপর আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্যপদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার রাতে র্যাবের একটি দল হেলেনার গুলশান-২ এর ৩৬ নম্বর সড়কের পাঁচ নম্বর বাসায় প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার অভিযান শেষে তাকে আটক করে। এ সময় উদ্ধার করা হয় বিদেশি মদ, ওয়াকিটকি সেট, ফরেন কারেন্সি (বিদেশি মুদ্রা), ক্যাসিনো খেলার সরঞ্জাম এবং হরিণ ও ক্যাঙ্গারুর চামড়া। আটকের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র্যাব সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ও ব্যক্তিদের সম্মানহানি করার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তাকে তিনদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী রিমান্ডের এ আদেশ দেন।
রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীরের দুই ‘সহযোগীকে’ গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
তারা হলেন- হাজেরা খাতুন ও সানাউল্ল্যাহ নূরী। মঙ্গলবার সকালে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
র্যাবের দাবি, গ্রেফতার দুজন হেলেনা জাহাঙ্গীরের অন্যতম দুই সহযোগী।
হেলেনা জাহাঙ্গীর ‘আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ’ নামে একটি সংগঠন করে আলোচনায় আসেন। এরপর আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্যপদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
গত বৃহস্পতিবার রাতে র্যাবের একটি দল হেলেনার গুলশান-২ এর ৩৬ নম্বর সড়কের পাঁচ নম্বর বাসায় প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার অভিযান শেষে তাকে আটক করে। এ সময় উদ্ধার করা হয় বিদেশি মদ, ওয়াকিটকি সেট, ফরেন কারেন্সি (বিদেশি মুদ্রা), ক্যাসিনো খেলার সরঞ্জাম এবং হরিণ ও ক্যাঙ্গারুর চামড়া।
আটকের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র্যাব সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ও ব্যক্তিদের সম্মানহানি করার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তাকে তিনদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী রিমান্ডের এ আদেশ দেন।