দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বসতঘরে চেতনানাশক দ্রব্য প্রয়োগে ঘরের স্বর্ণালংকার, ও নগদ টাকা লুটে নিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা। ঘটনাটি ঘটেছে দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রশিদের বাড়িতে। এর আগেও উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের নন্দরোড এলাকায় শাহে আলমের বাড়িতে চেতনানাশক স্প্রে করে লুট করার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদুর রহমান জানান, পৌরসভা ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের ছৈয়দিয়া বাজারের আহছানুল কবির সাহেদ ও তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার শম্পা বাড়িতে একাই থাকতেন। সোমবার দিবাগত রাত প্রায় এগারোটায় যথারীতি তারা রাতের খাবার খেয়ে ঘরে শুয়ে পড়েন। মঙ্গলবার সকালে পার্শ্ববর্তী কাজের মহিলা তাদেরকে ডাকতে থাকে। বেলা হয়ে গেছে দেখে, তারপরও না উঠতে দেখে কাজের মহিলা খোলা জানালা দিয়ে ডাকাডাকি করতে দেখে যে শাহেদ ও তার স্ত্রী শম্পা বেহুঁশ হয়ে এলোমেলো পড়ে আছে। হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার সাকিব বিন মহিউদ্দিন জানান, এটি একটি অজানা বিষক্রিয়া। রোগীর যেকোনো মুহূর্তে আইসিইউ’র প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। তাই আমরা দ্রুত তাদের জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছি। আরও পড়ুনঃ হত্যাকাণ্ডের ২৭ বছর পর যশোর আদালতে দুইজনের ৪২ বছরের কারাদণ্ড হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিসান আহমেদ জানান, ঘটনা শুনে সরেজমিনে দেখতে এসেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে রাতের খাবারের সাথে নেশাজাতীয় দ্রব্য প্রয়োগ হতে পারে। দুস্কৃতিকারীদেরকে বিভিন্ন (প্রযুক্তির) উপায়ে আইনের আওতায় আনতে আমরা কাজ শুরু করছি। পরবর্তীতে আইনানুগ...
নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বসতঘরে চেতনানাশক দ্রব্য প্রয়োগে ঘরের স্বর্ণালংকার, ও নগদ টাকা লুটে নিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা। ঘটনাটি ঘটেছে দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রশিদের বাড়িতে।
এর আগেও উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের নন্দরোড এলাকায় শাহে আলমের বাড়িতে চেতনানাশক স্প্রে করে লুট করার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদুর রহমান জানান, পৌরসভা ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের ছৈয়দিয়া বাজারের আহছানুল কবির সাহেদ ও তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার শম্পা বাড়িতে একাই থাকতেন। সোমবার দিবাগত রাত প্রায় এগারোটায় যথারীতি তারা রাতের খাবার খেয়ে ঘরে শুয়ে পড়েন।
মঙ্গলবার সকালে পার্শ্ববর্তী কাজের মহিলা তাদেরকে ডাকতে থাকে। বেলা হয়ে গেছে দেখে, তারপরও না উঠতে দেখে কাজের মহিলা খোলা জানালা দিয়ে ডাকাডাকি করতে দেখে যে শাহেদ ও তার স্ত্রী শম্পা বেহুঁশ হয়ে এলোমেলো পড়ে আছে।
হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার সাকিব বিন মহিউদ্দিন জানান, এটি একটি অজানা বিষক্রিয়া। রোগীর যেকোনো মুহূর্তে আইসিইউ’র প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। তাই আমরা দ্রুত তাদের জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছি।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিসান আহমেদ জানান, ঘটনা শুনে সরেজমিনে দেখতে এসেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে রাতের খাবারের সাথে নেশাজাতীয় দ্রব্য প্রয়োগ হতে পারে। দুস্কৃতিকারীদেরকে বিভিন্ন (প্রযুক্তির) উপায়ে আইনের আওতায় আনতে আমরা কাজ শুরু করছি। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।