সালথায় বালু উত্তোলন ও বনাঞ্চল উজাড় করে মাটি বিক্রির দায়ে জরিমানা
ফরিদপুরের সালথায় অবৈধভাবে বনাঞ্চলের মাটি ও ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে একজনকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের দায়ে দুইজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (১ মে) বিকালে উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের বড় খাড়দিয়া অবৈধভাবে বনাঞ্চলের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির একজনকে ৩০ হাজার টাকা এবং একই ইউনিয়নের যদুনন্দী গ্রামে পুকুর থেকে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করার অপরাধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দুইজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিছুর রহমান বালী। এই অভিযানে সালথা থানা পুলিশের একটি টিম সহযোগিতা করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আনিছুর রহমান বালী বলেন, যদুনন্দী ইউনিয়নের বিভিন্ন যায়গায় অবৈধ মাটি কাটা/উত্তোলনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে একজনকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলনের জন্য দুইজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আরও পড়ুনঃ চরভদ্রাসনে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল গৃহবধুর মরদেহ তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে বনাঞ্চল এবং ফসলি জমির মাটি কাটা রোধকল্পে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।
ফরিদপুরের সালথায় অবৈধভাবে বনাঞ্চলের মাটি ও ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে একজনকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের দায়ে দুইজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (১ মে) বিকালে উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের বড় খাড়দিয়া অবৈধভাবে বনাঞ্চলের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির একজনকে ৩০ হাজার টাকা এবং একই ইউনিয়নের যদুনন্দী গ্রামে পুকুর থেকে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করার অপরাধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দুইজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিছুর রহমান বালী। এই অভিযানে সালথা থানা পুলিশের একটি টিম সহযোগিতা করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আনিছুর রহমান বালী বলেন, যদুনন্দী ইউনিয়নের বিভিন্ন যায়গায় অবৈধ মাটি কাটা/উত্তোলনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে একজনকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলনের জন্য দুইজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।