দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১
৩২৭
বার পঠিত
সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটগুলোতে উপচে পড়া ভিড়ের একাংশ-
সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটগুলোতে উপচে পড়া ভিড়
আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের শপিংমল, কসমেটিকস ও জুতা-সেন্টেলের দোকানের মার্কেটগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। যারা কেনাকাটা করতে আসেন তাদের অধিকাংশই ছিলেন নারী। ক্রেতাদের বেশির ভাগই মাস্ক পরার বালাই নেই। তবে অভিযোগ উঠেছে, ক্রেতারা কিছুটা স্বাস্থ্যবিধি মানলেও স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না বিক্রেতারা। গতকাল দুপুরে সদরপুর কাজী আনিসউদ্দিন সিটি মার্কেটে গিয়ে দেখা যায়, সরকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানদারদের নির্দেশ দিলেও এখানে ক্রেতাদের প্রবেশ পথে স্বয়ংক্রিয় জীবাণুনাশক স্প্রে সংবলিত কোন চিত্র এখানে দেখা যায়নি। তবে প্রতিটি দোকানগুলোতে সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় করতে দেখা যায় । ক্রেতারা কেনাকাটা করার মহা ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ও বিক্রেতারা বেচাকেনা করার ব্যস্ত সময় পার করছে। উপজেলার আকোটের চর এলাকা থেকে আসা ক্রেতা জান্নাতারা তিনি বলেন, মহামারি করোনা সংক্রমনের কারণে যেকোন সময় সরকার লকডাউন দিয়ে মার্কেট বন্ধ করে দিতে পারে তাই নিজের বাচ্চাদের ও আত্মীয়-স্বজনদের তৈরী পোষাক ও কাপড়-চোপর কেনাকাটা করে রাখছি।
আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের শপিংমল, কসমেটিকস ও জুতা-সেন্টেলের দোকানের মার্কেটগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। যারা কেনাকাটা করতে আসেন তাদের অধিকাংশই ছিলেন নারী। ক্রেতাদের বেশির ভাগই মাস্ক পরার বালাই নেই। তবে অভিযোগ উঠেছে, ক্রেতারা কিছুটা স্বাস্থ্যবিধি মানলেও স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না বিক্রেতারা।
গতকাল দুপুরে সদরপুর কাজী আনিসউদ্দিন সিটি মার্কেটে গিয়ে দেখা যায়, সরকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানদারদের নির্দেশ দিলেও এখানে ক্রেতাদের প্রবেশ পথে স্বয়ংক্রিয় জীবাণুনাশক স্প্রে সংবলিত কোন চিত্র এখানে দেখা যায়নি। তবে প্রতিটি দোকানগুলোতে সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় করতে দেখা যায় ।
ক্রেতারা কেনাকাটা করার মহা ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ও বিক্রেতারা বেচাকেনা করার ব্যস্ত সময় পার করছে। উপজেলার আকোটের চর এলাকা থেকে আসা ক্রেতা জান্নাতারা তিনি বলেন, মহামারি করোনা সংক্রমনের কারণে যেকোন সময় সরকার লকডাউন দিয়ে মার্কেট বন্ধ করে দিতে পারে তাই নিজের বাচ্চাদের ও আত্মীয়-স্বজনদের তৈরী পোষাক ও কাপড়-চোপর কেনাকাটা করে রাখছি।