ফরিদপুরে ১১৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় দুই ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। একই সাথে তাদের পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়। ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক শিহাবুল ইসলাম গত মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার সাড়ে সাতরশী গ্রামের বাসিন্দা আ. কাদের মাতুব্বর (৬৩) ও আ. ওহাব বেপারী (৬৫)। প্রায় সমবয়সী দুজন সম্পর্কে আপন জামাই-শ্বশুর হন। রায় ঘোষণার সময় তারা আদালতে হাজির ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে নিয়ে যায় পুলিশ। আরও পড়ুনঃ সদরপুরে ভ্রাম্যমাণ অভিযানে ১৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৯ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতরশী গ্রামে ওহাব ব্যাপারীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১১৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন এসআই সুব্রত গোলদার। একই বছরের ১৪ জুলাই এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. ওহিদুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি অ্যাডভোকেট সানোয়ার হোসেন বলেন, এ মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাদের সাজা দেয়া হয়েছে।
ফরিদপুরে ১১৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় দুই ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। একই সাথে তাদের পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক শিহাবুল ইসলাম গত মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার সাড়ে সাতরশী গ্রামের বাসিন্দা আ. কাদের মাতুব্বর (৬৩) ও আ. ওহাব বেপারী (৬৫)। প্রায় সমবয়সী দুজন সম্পর্কে আপন জামাই-শ্বশুর হন। রায় ঘোষণার সময় তারা আদালতে হাজির ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে নিয়ে যায় পুলিশ।
জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৯ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতরশী গ্রামে ওহাব ব্যাপারীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১১৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন এসআই সুব্রত গোলদার। একই বছরের ১৪ জুলাই এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. ওহিদুজ্জামান।
রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি অ্যাডভোকেট সানোয়ার হোসেন বলেন, এ মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাদের সাজা দেয়া হয়েছে।