আপডেট টাইম :
০৭:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২
২৮৩
বার পঠিত
-ছবিঃ প্রতীকী।
শরীফাবাদ স্কুল এন্ড কলেজ এর প্রধান শিক্ষক কে কারাগারে প্রেরণ
ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের শরিফাবাদ হাই স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন (৫৫) পিতা- মৃত জমশেদ মাতুব্বর গ্রাম- মক্রমপটি, থানা- ভাঙ্গা, জেলা-ফরিদপুরের বিরুদ্ধে উক্ত বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার (১৪) পিতাঃ আক্কাজ শেখ, গ্রাম- চুমুরদি, থানা- ভাঙ্গা, জেলাঃ ফরিদপুর শ্লীলতাহানির অভিযোগে গতকাল থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার নং-০১, তারিখ-০১/১২/২০২২ খ্রি:। এরই প্রেক্ষাপটে আজ ভাঙ্গা থানা পুলিশ উল্লেখিত প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতারপূর্বক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেন। উল্লেখ্য যে, গত ৩০-১১-২২ খ্রিষ্টাব্দে বেলা অনুমান ১২:০০ঘটিকায় বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে নকল করার অপরাধে ম্যাডাম সর্বাণী সাহা তার খাতা নিয়ে যান। প্রায় ০১ ঘন্টা ওই শিক্ষার্থীর খাতাপত্র আটকে রাখা হয়। মেয়েটি কান্নাকাটি করলে ম্যাডাম সর্বাণী সাহা বলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে গিয়ে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতির জন্য প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর নিকট যায় তখন তিনি লাইব্রেরীতে ছিলেন। আরও পড়ুনঃ নলছিটিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে সংবর্ধনা প্রদান তিনি ভিকটিমকে বলে আমার রুমে আসো। তার রুমে যাওয়ার পর তিনি ভিকটিমকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বিভিন্ন মহল ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের শরিফাবাদ হাই স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন (৫৫) পিতা- মৃত জমশেদ মাতুব্বর গ্রাম- মক্রমপটি, থানা- ভাঙ্গা, জেলা-ফরিদপুরের বিরুদ্ধে উক্ত বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার (১৪) পিতাঃ আক্কাজ শেখ, গ্রাম- চুমুরদি, থানা- ভাঙ্গা, জেলাঃ ফরিদপুর শ্লীলতাহানির অভিযোগে গতকাল থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার নং-০১, তারিখ-০১/১২/২০২২ খ্রি:। এরই প্রেক্ষাপটে আজ ভাঙ্গা থানা পুলিশ উল্লেখিত প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতারপূর্বক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেন।
উল্লেখ্য যে, গত ৩০-১১-২২ খ্রিষ্টাব্দে বেলা অনুমান ১২:০০ঘটিকায় বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে নকল করার অপরাধে ম্যাডাম সর্বাণী সাহা তার খাতা নিয়ে যান। প্রায় ০১ ঘন্টা ওই শিক্ষার্থীর খাতাপত্র আটকে রাখা হয়। মেয়েটি কান্নাকাটি করলে ম্যাডাম সর্বাণী সাহা বলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে গিয়ে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতির জন্য প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর নিকট যায় তখন তিনি লাইব্রেরীতে ছিলেন।