আপডেট টাইম :
০৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৩
২৭০
বার পঠিত
মুকসুদপুরে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ সভা
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৬ ডিসেম্বর ) সকালে জাতীয় পুষ্টিসেবা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের বাস্তবায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাপসি বিশ্বাস দুর্গা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা. রায়হান ইসলাম শোভনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম মোল্যা, মুকসুদপুর সংবাদ সম্পাদক হায়দার হোসেন, সাংবাদিক কাজী ওহিদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. দ্বীপ সাহা। আরও পড়ুনঃ ৫ বছরে বাদশাহর সম্পদ বেড়েছে ১৭ গুণ ও স্ত্রীর ১০৬ গুণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা. রায়হান ইসলাম শোভন জানান, আগামী ১২ ডিসেম্বর সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৭ ইউনিয়নের ৫১ ওয়ার্ডে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৬ হাজার ৯শ ৮৫ জন শিশুকে নীল ক্যাপসুল এবং ১ থেকে ৫ বছরের ৪২ হাজার ৯শ ৪৫ জন শিশুকে লাল ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৬ ডিসেম্বর ) সকালে জাতীয় পুষ্টিসেবা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের বাস্তবায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাপসি বিশ্বাস দুর্গা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা. রায়হান ইসলাম শোভনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম মোল্যা, মুকসুদপুর সংবাদ সম্পাদক হায়দার হোসেন, সাংবাদিক কাজী ওহিদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. দ্বীপ সাহা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা. রায়হান ইসলাম শোভন জানান, আগামী ১২ ডিসেম্বর সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৭ ইউনিয়নের ৫১ ওয়ার্ডে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৬ হাজার ৯শ ৮৫ জন শিশুকে নীল ক্যাপসুল এবং ১ থেকে ৫ বছরের ৪২ হাজার ৯শ ৪৫ জন শিশুকে লাল ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।