আপডেট টাইম :
১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
১৪৪
বার পঠিত
মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রোগী কর্তৃক অগ্নিসংযোগ ও অফিসের আসবাবপত্র ভাংচুর
মানিক কুমার দাসঃ মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রোগী কর্তৃক অগ্নিসংযোগ ও অফিসের আসবাবপত্র ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। . জানা গেছে গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৬-২০ মিনিটে কোতোয়ালি থানাধীন বদরপুর নুর প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রি সংলগ্ন স্বপ্ন নিবাস মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসারত ৪১ জন মাদকাসক্ত রোগীদের মধ্যে কতিপয় রোগীরা উক্ত প্রতিষ্ঠানের স্টাফদের দ্বারা নির্যাতিত হওয়ার প্রতিবাদে এবং খাবার প্রদানে অনিয়ম থাকায় প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে ভবনের ২য় তলার ভিতরে পুরাতন কাগজপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্রে আগুন লাগিয়ে দেয়। এসময় ভিতরের আসবাব পত্র ও জানালার গ্লাস, ফ্যান ইত্যাদি ভাংচুর করে ও চিৎকার করে। . তখন স্থানীয় লোকজন ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সংবাদ পেয়ে সেনাবাহিনী ও র্যাব ঘটনাস্থলে আসে। পরবর্তীতে সকল বাহিনীর সদস্যরা একত্রিত হয়ে উক্ত ভবনের দ্বিতীয় প্রবেশ করে রাত অনুমান ৮:৩০ মিনিটের সময়ে তাদেরকে বুজানোর মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। . তখন তারা অভিযোগ করে বলে যে, প্রতিষ্ঠানের কতিপয় কর্মচারী তাদেরকে প্রতিনিয়ত নির্যাতন করে এবং মারধর করে। তাদেরকে নিন্ম মানের খাবার পরিবেশন করে। বিধায় তারা উত্তেজিত হয়ে উক্ত ঘটনা ঘটায়। এতে কমপক্ষে চার-পাঁচজন আহত হন বলে জানা গেছে।
মানিক কুমার দাসঃ
মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রোগী কর্তৃক অগ্নিসংযোগ ও অফিসের আসবাবপত্র ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।
.
জানা গেছে গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৬-২০ মিনিটে কোতোয়ালি থানাধীন বদরপুর নুর প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রি সংলগ্ন স্বপ্ন নিবাস মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসারত ৪১ জন মাদকাসক্ত রোগীদের মধ্যে কতিপয় রোগীরা উক্ত প্রতিষ্ঠানের স্টাফদের দ্বারা নির্যাতিত হওয়ার প্রতিবাদে এবং খাবার প্রদানে অনিয়ম থাকায় প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে ভবনের ২য় তলার ভিতরে পুরাতন কাগজপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্রে আগুন লাগিয়ে দেয়। এসময় ভিতরের আসবাব পত্র ও জানালার গ্লাস, ফ্যান ইত্যাদি ভাংচুর করে ও চিৎকার করে।
.
তখন স্থানীয় লোকজন ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সংবাদ পেয়ে সেনাবাহিনী ও র্যাব ঘটনাস্থলে আসে। পরবর্তীতে সকল বাহিনীর সদস্যরা একত্রিত হয়ে উক্ত ভবনের দ্বিতীয় প্রবেশ করে রাত অনুমান ৮:৩০ মিনিটের সময়ে তাদেরকে বুজানোর মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
.
তখন তারা অভিযোগ করে বলে যে, প্রতিষ্ঠানের কতিপয় কর্মচারী তাদেরকে প্রতিনিয়ত নির্যাতন করে এবং মারধর করে। তাদেরকে নিন্ম মানের খাবার পরিবেশন করে। বিধায় তারা উত্তেজিত হয়ে উক্ত ঘটনা ঘটায়। এতে কমপক্ষে চার-পাঁচজন আহত হন বলে জানা গেছে।