ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শেষ করতে ট্রাম্প আমাকে সঙ্গী করতে চান: নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান ও সংঘাতের সমাপ্তি টানতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্ণ সমর্থন পাচ্ছেন বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তাঁর ভাষ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই জটিল পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং ইরানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে ট্রাম্প তাঁকেই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করছেন। মার্কিন প্রশাসনের এই শীর্ষ নেতার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক বোঝাপড়াকে তিনি ইসরায়েলের নিরাপত্তা কৌশলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সমর্থনের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, হোয়াইট হাউসের বর্তমান নেতৃত্ব পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে যে, তেহরানের বিরুদ্ধে কৌশলগত লক্ষ্য অর্জন এবং এই সংকটের একটি স্থায়ী পরিণতি টানার কাজটি নেতানিয়াহুর সঙ্গেই সম্পন্ন করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই এই অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক সমীকরণ নির্ধারিত হচ্ছে।

এদিকে তেহরানকে শক্ত বার্তা দিয়ে নেতানিয়াহু হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন যে, ইরান যদি পুনরায় কোনো ধরনের আগ্রাসন বা হামলার দুঃসাহস দেখায়, তবে ইসরায়েল এমন বিধ্বংসী শক্তি প্রয়োগ করবে যা তেহরানের কল্পনার বাইরে থাকবে। ইসরায়েলি বাহিনীর এই কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষকরা। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় যেকোনো মূলール শক্তি প্রয়োগে তারা পিছপা হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের এই ঘনিষ্ঠ মিত্রতা আঞ্চলিক রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক প্রভাব খর্ব করার ক্ষেত্রে দুই দেশ যৌথভাবে আরও কঠোর কৌশল গ্রহণ করতে পারে। তবে এই ধরনের আক্রমণাত্মক নীতি মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিনিবিদেরা।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শেষ করতে ট্রাম্প আমাকে সঙ্গী করতে চান: নেতানিয়াহু

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান ও সংঘাতের সমাপ্তি টানতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্ণ সমর্থন পাচ্ছেন বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তাঁর ভাষ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই জটিল পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং ইরানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে ট্রাম্প তাঁকেই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করছেন। মার্কিন প্রশাসনের এই শীর্ষ নেতার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক বোঝাপড়াকে তিনি ইসরায়েলের নিরাপত্তা কৌশলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সমর্থনের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, হোয়াইট হাউসের বর্তমান নেতৃত্ব পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে যে, তেহরানের বিরুদ্ধে কৌশলগত লক্ষ্য অর্জন এবং এই সংকটের একটি স্থায়ী পরিণতি টানার কাজটি নেতানিয়াহুর সঙ্গেই সম্পন্ন করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই এই অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক সমীকরণ নির্ধারিত হচ্ছে।

এদিকে তেহরানকে শক্ত বার্তা দিয়ে নেতানিয়াহু হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন যে, ইরান যদি পুনরায় কোনো ধরনের আগ্রাসন বা হামলার দুঃসাহস দেখায়, তবে ইসরায়েল এমন বিধ্বংসী শক্তি প্রয়োগ করবে যা তেহরানের কল্পনার বাইরে থাকবে। ইসরায়েলি বাহিনীর এই কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষকরা। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় যেকোনো মূলール শক্তি প্রয়োগে তারা পিছপা হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের এই ঘনিষ্ঠ মিত্রতা আঞ্চলিক রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক প্রভাব খর্ব করার ক্ষেত্রে দুই দেশ যৌথভাবে আরও কঠোর কৌশল গ্রহণ করতে পারে। তবে এই ধরনের আক্রমণাত্মক নীতি মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিনিবিদেরা।