ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

ম্যাপে আটলান্টিকের নাম বদলে নিজের নাম বসাতে গুগল সিইওকে ট্রাম্পের ফোন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাইকে একটি অত্যন্ত অস্বাভাবিক টেলিফোন কল করেন। তিনি গুগলের ডিজিটাল মানচিত্রে আটলান্টিক মহাসাগরের নাম পরিবর্তন করে সেখানে নিজের নাম যুক্ত করার অদ্ভুত এক প্রস্তাব দেন। তার এই দাবি শুনে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্তারা হতবাক হয়ে যান এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান।

এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন মেক্সিকো উপসাগরের নাম পরিবর্তন করে গুগল ম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে নিজেদের প্রভাব খাটাতে সক্ষম হয়েছিল। সেই সফলতার অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি এবার আরও বড় পরিসরে বৈশ্বিক একটি জলরাশির নাম পরিবর্তনের এই অবাস্তব আবদার তুললেন। তবে গুগল কর্তৃপক্ষ পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ভৌগোলিক নামগুলো এভাবে কোনো ব্যক্তির ইচ্ছামতো পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল মানচিত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এ ধরনের পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে। গুগল সবসময়ই নিরপেক্ষ ও প্রামাণিক তথ্যের ভিত্তিতে তাদের মানচিত্র পরিচালনা করে থাকে, যা কোনো একক ব্যক্তির খেয়ালিপনার কারণে পরিবর্তিত হতে পারে না। ফলে মার্কিন নেতার এই দাবি প্রযুক্তি জগতে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনাটি কেবল একটি কৌতূহলোদ্দীপক বিষয়ই নয়, বরং বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও তথ্যের ওপর রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অপচেষ্টার একটি স্পষ্ট উদাহরণ। গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এ ধরনের অযৌক্তিক চাপ প্রতিহত করায় ডিজিটাল মানচিত্রের নিরপেক্ষতা রক্ষা পাচ্ছে। আগামী দিনেও এ ধরনের অদ্ভুত রাজনৈতিক অনুরোধ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ফিরিয়ে দেবে বলেই সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্রান্সে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে কঠোর ম্যাক্রোঁ, অবৈধ সমাবেশ নিষিদ্ধের ঘোষণা

error: Content is protected !!

ম্যাপে আটলান্টিকের নাম বদলে নিজের নাম বসাতে গুগল সিইওকে ট্রাম্পের ফোন

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাইকে একটি অত্যন্ত অস্বাভাবিক টেলিফোন কল করেন। তিনি গুগলের ডিজিটাল মানচিত্রে আটলান্টিক মহাসাগরের নাম পরিবর্তন করে সেখানে নিজের নাম যুক্ত করার অদ্ভুত এক প্রস্তাব দেন। তার এই দাবি শুনে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্তারা হতবাক হয়ে যান এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান।

এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন মেক্সিকো উপসাগরের নাম পরিবর্তন করে গুগল ম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে নিজেদের প্রভাব খাটাতে সক্ষম হয়েছিল। সেই সফলতার অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি এবার আরও বড় পরিসরে বৈশ্বিক একটি জলরাশির নাম পরিবর্তনের এই অবাস্তব আবদার তুললেন। তবে গুগল কর্তৃপক্ষ পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ভৌগোলিক নামগুলো এভাবে কোনো ব্যক্তির ইচ্ছামতো পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল মানচিত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এ ধরনের পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে। গুগল সবসময়ই নিরপেক্ষ ও প্রামাণিক তথ্যের ভিত্তিতে তাদের মানচিত্র পরিচালনা করে থাকে, যা কোনো একক ব্যক্তির খেয়ালিপনার কারণে পরিবর্তিত হতে পারে না। ফলে মার্কিন নেতার এই দাবি প্রযুক্তি জগতে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনাটি কেবল একটি কৌতূহলোদ্দীপক বিষয়ই নয়, বরং বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও তথ্যের ওপর রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অপচেষ্টার একটি স্পষ্ট উদাহরণ। গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এ ধরনের অযৌক্তিক চাপ প্রতিহত করায় ডিজিটাল মানচিত্রের নিরপেক্ষতা রক্ষা পাচ্ছে। আগামী দিনেও এ ধরনের অদ্ভুত রাজনৈতিক অনুরোধ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ফিরিয়ে দেবে বলেই সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন।