ঢাকা , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

ভেড়ামারায় সবজির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা

ভেড়ামারা বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সঙ্গে দাম বেড়েছে শীতকালীন সবজিরও। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে সব ধরণের সবজির দর বেড়েছে কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা। কমেনি ডিম, চিনি, মাছ, মাংস ও চালের দাম।

ব্যবসায়ীরা জানান, ঘূর্ণিঝড়ে সবজি ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ কম। এ কারণে দামও বেশি।

এছাড়া চলতি সপ্তাহ থেকে ব্যবসায়ীরা বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে খোলা ও প্যাকেটজাত চিনি বিক্রির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু এখনো নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০-৩০ টাকা বেশিতে চিনি বিক্রি করছেন। এদিকে বাজারে মাছ, মাংস, সবজি, চালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যও অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভেড়ামারায় মশুর ডাল ২০ টাকা ও ভোজ্য সয়াবিন লিটার প্রতি ১০ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

চালের বাজারে আবারও উর্ধ্বমুখী হতে দেখা গেছে। পাইকারি পর্যায়ে মাঝারি আকারের চালের দাম কেজিতে ১-২ টাকা বেড়েছে।

ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে এবং ডিমের ডজনে আরও ৫ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সোনালী জাতের মুরগি আগের মতো ৩১০ থেকে ৩২০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। আর ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়।

শুক্র,শনি ও রবিবার (৩০ অক্টোবর) ভেড়ামারা উপজেলার বিভিন্ন বাজারে মানভেদে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, রসুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, আলু ২৮ থেকে ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ৫০ টাকা, শীতকালীন সিম ১২০ টাকা, গাজর ১৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, পেঁপে ২৬ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, পটল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, লালশাক, ঘিকাঞ্চন শাক ৩০-৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

তবে গত সপ্তাহে মানভেদে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, রসুন ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, আলু ২৮ টাকা, কাঁচামরিচ ৪০ টাকা, শীতকাল সিম ৮০ থেকে ৯০ টাকা, গাজর ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, পটল ৩৫ টাকা, লালশাক, ঘিকাঞ্চন ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

কলেজ বাজারে চিনির দাম কেজিতে ২৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়। মশুর ডাল (দেশি) কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। এছাড়া ভোজ্য সয়াবিন লিটারে ১০ টাকা বেড়েছে, বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়।

কলেজ বাজারে ক্রেতা মোঃ আমিরুল ইসলাম বলেন, পাঁচ-ছয় দিনের ব্যবধানে সবধরণের সবজির দাম কেজিতে দিগুণবৃদ্ধি পেয়েছে অন্তত ৫ থেকে ১০ টাকা। দাম বৃদ্ধির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো মাথা ব্যথা নেই।

পৌর মার্কেটের ব্যবসায়ী মো মসলেম আলী বলেন, বাজারে যখন সবজির সরবরাহ বাড়তে থাকবে তখন হয়তো দামও কমতে শুরু করবে। কিন্তু এখন চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম।

ফারাকপুর গ্রাম থেকে বাজারে আসা ক্রেতা নবীর আলী বলেন, এখন বাজার সবজিতে ভরপুর কিন্তু দাম কমছে না। সবজির দাম বেশি হলেও এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের কোনো পদক্ষেপ নেই বললেই চলে।

আরেক ক্রেতা মনির উদ্দীন বলেন, সবজিসহ সবধরনের জিনিস ও পণ্যের দাম দিনদিন বেড়েই চলেছে। প্রত্যেকটি দোকানে মূল্য তালিকা টানানো থাকে তাহলে অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছামতো দাম হাকাতে পারেন না। এতে মূল্য সহজে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

ভেড়ামারা নির্বাহী কর্তকর্তা দীনেশ সরকার বলেন,কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী অধিক লাভের আশায় বিভিন্ন পণ্যের দাম বেশি রাখছেন। তবে বাজার যথারীতি মনিটরিং করা হচ্ছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় এক কক্ষে পর্দা টাঙিয়ে চলছে দুই শ্রেণির পাঠদান

error: Content is protected !!

ভেড়ামারায় সবজির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা

আপডেট টাইম : ০৩:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২২
ইসমাইল হোসেন বাবু, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ :

ভেড়ামারা বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সঙ্গে দাম বেড়েছে শীতকালীন সবজিরও। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে সব ধরণের সবজির দর বেড়েছে কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা। কমেনি ডিম, চিনি, মাছ, মাংস ও চালের দাম।

ব্যবসায়ীরা জানান, ঘূর্ণিঝড়ে সবজি ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ কম। এ কারণে দামও বেশি।

এছাড়া চলতি সপ্তাহ থেকে ব্যবসায়ীরা বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে খোলা ও প্যাকেটজাত চিনি বিক্রির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু এখনো নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০-৩০ টাকা বেশিতে চিনি বিক্রি করছেন। এদিকে বাজারে মাছ, মাংস, সবজি, চালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যও অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভেড়ামারায় মশুর ডাল ২০ টাকা ও ভোজ্য সয়াবিন লিটার প্রতি ১০ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

চালের বাজারে আবারও উর্ধ্বমুখী হতে দেখা গেছে। পাইকারি পর্যায়ে মাঝারি আকারের চালের দাম কেজিতে ১-২ টাকা বেড়েছে।

ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে এবং ডিমের ডজনে আরও ৫ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সোনালী জাতের মুরগি আগের মতো ৩১০ থেকে ৩২০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। আর ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়।

শুক্র,শনি ও রবিবার (৩০ অক্টোবর) ভেড়ামারা উপজেলার বিভিন্ন বাজারে মানভেদে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, রসুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, আলু ২৮ থেকে ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ৫০ টাকা, শীতকালীন সিম ১২০ টাকা, গাজর ১৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, পেঁপে ২৬ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, পটল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, লালশাক, ঘিকাঞ্চন শাক ৩০-৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

তবে গত সপ্তাহে মানভেদে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, রসুন ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, আলু ২৮ টাকা, কাঁচামরিচ ৪০ টাকা, শীতকাল সিম ৮০ থেকে ৯০ টাকা, গাজর ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, পটল ৩৫ টাকা, লালশাক, ঘিকাঞ্চন ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

কলেজ বাজারে চিনির দাম কেজিতে ২৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়। মশুর ডাল (দেশি) কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। এছাড়া ভোজ্য সয়াবিন লিটারে ১০ টাকা বেড়েছে, বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়।

কলেজ বাজারে ক্রেতা মোঃ আমিরুল ইসলাম বলেন, পাঁচ-ছয় দিনের ব্যবধানে সবধরণের সবজির দাম কেজিতে দিগুণবৃদ্ধি পেয়েছে অন্তত ৫ থেকে ১০ টাকা। দাম বৃদ্ধির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো মাথা ব্যথা নেই।

পৌর মার্কেটের ব্যবসায়ী মো মসলেম আলী বলেন, বাজারে যখন সবজির সরবরাহ বাড়তে থাকবে তখন হয়তো দামও কমতে শুরু করবে। কিন্তু এখন চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম।

ফারাকপুর গ্রাম থেকে বাজারে আসা ক্রেতা নবীর আলী বলেন, এখন বাজার সবজিতে ভরপুর কিন্তু দাম কমছে না। সবজির দাম বেশি হলেও এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের কোনো পদক্ষেপ নেই বললেই চলে।

আরেক ক্রেতা মনির উদ্দীন বলেন, সবজিসহ সবধরনের জিনিস ও পণ্যের দাম দিনদিন বেড়েই চলেছে। প্রত্যেকটি দোকানে মূল্য তালিকা টানানো থাকে তাহলে অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছামতো দাম হাকাতে পারেন না। এতে মূল্য সহজে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

ভেড়ামারা নির্বাহী কর্তকর্তা দীনেশ সরকার বলেন,কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী অধিক লাভের আশায় বিভিন্ন পণ্যের দাম বেশি রাখছেন। তবে বাজার যথারীতি মনিটরিং করা হচ্ছে।