আপডেট টাইম :
০৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ নভেম্বর ২০২৩
৪৪৮
বার পঠিত
ভেড়ামারা ঈশ্বরদী হয়ে আর চলবে না সুন্দরবন ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন
সুন্দরবন ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের ভেড়ামারা হয়ে চলাচলের শেষ দিন ছিল গতকাল মঙ্গলবার। শেষবারের মতো ট্রেন দুটি ভেড়ামারায় এলে শত শত মানুষ ভিড় জমান। বুধবার (১ নভেম্বর) আজ থেকে সুন্দরবন ও বেনাপোল এক্সপ্রেস পদ্মা সেতু হয়ে চলাচল করছে। ২০০৩ সালের ১৭ আগস্ট খুলনা-ঈশ্বরদী-ঢাকা রুটে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ও ২০১৯ সালের ১৭ জুলাই বেনাপোল-ঈশ্বরদী-ঢাকা রুটে বেনাপোল এক্সপ্রেসের চলাচল শুরু হয়। এ দুটি ট্রেনে দীর্ঘদিন ধরে নিরবিচ্ছন্নভাবে ঈশ্বরদীর মানুষ যাতায়াত করেছেন। মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ২টায় ঢাকা থেকে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেন ভেড়ামারা স্টেশনে পৌঁছালে যাত্রীসহ শত শত মানুষ শেষবারের মতো ট্রেনটি দেখতে ভিড় জমান। ২০ বছর ধরে ট্রেনটি ঈশ্বরদী জংশন স্টেশন হয়ে চলাচল করছে। ঈশ্বরদীর হাজারো মানুষ বিভিন্ন সময় ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে এ ট্রেনে চলাচল করেছেন। তাই এ ট্রেনের প্রতি ঈশ্বরদীর মানুষের এক ধরনের আবেগ ও ভালোবাসা জন্ম নিয়েছে। স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা আজিজুল হক (৩০) বলেন, বুদ্ধির পর থেকেই এ ট্রেনে চলাচল করেছি। বিশেষ করে আমি সবসময় এ ট্রেনে ঢাকায় যাতায়াত করতাম। এ ট্রেন এই রুটে আর চলবে না। এটা মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত সবাইকে রাজপথে থাকতে হবেঃ -আলীম স্বপন পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সুন্দরবন ও বেনাপোলের রুট পরিবর্তন করা হয়েছে। এ ট্রেনের...
সুন্দরবন ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের ভেড়ামারা হয়ে চলাচলের শেষ দিন ছিল গতকাল মঙ্গলবার। শেষবারের মতো ট্রেন দুটি ভেড়ামারায় এলে শত শত মানুষ ভিড় জমান। বুধবার (১ নভেম্বর) আজ থেকে সুন্দরবন ও বেনাপোল এক্সপ্রেস পদ্মা সেতু হয়ে চলাচল করছে।
২০০৩ সালের ১৭ আগস্ট খুলনা-ঈশ্বরদী-ঢাকা রুটে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ও ২০১৯ সালের ১৭ জুলাই বেনাপোল-ঈশ্বরদী-ঢাকা রুটে বেনাপোল এক্সপ্রেসের চলাচল শুরু হয়। এ দুটি ট্রেনে দীর্ঘদিন ধরে নিরবিচ্ছন্নভাবে ঈশ্বরদীর মানুষ যাতায়াত করেছেন।
মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ২টায় ঢাকা থেকে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেন ভেড়ামারা স্টেশনে পৌঁছালে যাত্রীসহ শত শত মানুষ শেষবারের মতো ট্রেনটি দেখতে ভিড় জমান। ২০ বছর ধরে ট্রেনটি ঈশ্বরদী জংশন স্টেশন হয়ে চলাচল করছে। ঈশ্বরদীর হাজারো মানুষ বিভিন্ন সময় ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে এ ট্রেনে চলাচল করেছেন। তাই এ ট্রেনের প্রতি ঈশ্বরদীর মানুষের এক ধরনের আবেগ ও ভালোবাসা জন্ম নিয়েছে।
স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা আজিজুল হক (৩০) বলেন, বুদ্ধির পর থেকেই এ ট্রেনে চলাচল করেছি। বিশেষ করে আমি সবসময় এ ট্রেনে ঢাকায় যাতায়াত করতাম। এ ট্রেন এই রুটে আর চলবে না। এটা মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে।
পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সুন্দরবন ও বেনাপোলের রুট পরিবর্তন করা হয়েছে। এ ট্রেনের পরিবর্তে এ রুটে নতুন কোনো ট্রেন চলাচলের পরিকল্পনার বিষয়টি আপতত আমার জানা নেই। এ রুটে নতুন ট্রেন সংযোগ করা হলে অবশ্যই সবাই জানতে পারবেন।