প্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তির নিত্যনতুন উৎকর্ষের এই যুগে দৈনন্দিন যোগাযোগ ও প্রযুক্তির ব্যবহারের ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। প্রচলিত স্মার্টফোনে হাতে টাইপ করে নির্দেশনা দেওয়ার দিন ফুরিয়ে আসছে এবং এর স্থান দখল করে নিচ্ছে অভিনব সব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ডিভাইস। ব্যবহারকারীরা এখন আর কেবল স্ক্রিনে আঙুল ছুঁইয়ে কাজ সারছেন না, বরং এই আধুনিক যন্ত্রগুলো মানুষের মুখের কথা এবং ইশারা-ইঙ্গিত খুব সহজেই বুঝে নিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রযুক্তি মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও সহজ ও গতিশীল করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে হাজির হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সারাদিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে নিরবচ্ছিন্নভাবে যুক্ত থাকতে পারবেন। এমনকি কোনো জটিল কাজ বা তথ্য খোঁজার জন্য স্ক্রিনের সামনে সময় নষ্ট না করে কেবল কথা বলেই প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে, যা কাজের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
তবে এই প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে তীব্র শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই যন্ত্রগুলো যেভাবে চব্বিশ ঘণ্টা ব্যবহারকারীর কথা, চাহনি এবং চোখের ইশারা পর্যবেক্ষণ করে, তাতে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে যে এটি আসলেই বিশ্বস্ত বন্ধু নাকি ব্যক্তিগত তথ্যে নজরদারির হাতিার। বিশেষ করে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সার্ভারে জমা হওয়ার বিষয়টি বড় ধরনের নৈতিক ও নিরাপত্তা প্রশ্ন সামনে এনেছে।
সামগ্রقভাবে, ওয়্যারেবল এআই ডিভাইসের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়লেও এর ভালো এবং মন্দ দুই দিক নিয়েই প্রযুক্তি বিশ্বে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ব্যবহারকারীরা সুবিধার খালাতে এই প্রযুক্তি লুফে নিলেও এর অপব্যবহার রোধে কঠোর নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি কীভাবে মানুষের গোপনীয়তা রক্ষা করে দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে ওঠে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : 























