দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
ইসমাইল হোসেন বাবু: কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় মানসিক প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় মো. একরাম মোল্লা (৭৪) নামে এক বৃদ্ধকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বেলা ৩টার দিকে কুষ্টিয়ার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এইচ এম শফিকুল ইসলাম আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) মো. আব্দুল মজিদ। দণ্ডপ্রাপ্ত একরাম মোল্লা ভেড়ামারা উপজেলার গোসাইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। মামলার বরাত দিয়ে পিপি আব্দুল মজিদ জানান, ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর সকালে একরাম মোল্লার বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরে কিশোরী বিষয়টি তার মাকে জানায়। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানায় একরাম মোল্লার বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ নভেম্বর ভেড়ামারা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জাহাঙ্গীর আলম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার একরাম মোল্লাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাস সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
ইসমাইল হোসেন বাবু:
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় মানসিক প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় মো. একরাম মোল্লা (৭৪) নামে এক বৃদ্ধকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বেলা ৩টার দিকে কুষ্টিয়ার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এইচ এম শফিকুল ইসলাম আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) মো. আব্দুল মজিদ।
দণ্ডপ্রাপ্ত একরাম মোল্লা ভেড়ামারা উপজেলার গোসাইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বরাত দিয়ে পিপি আব্দুল মজিদ জানান, ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর সকালে একরাম মোল্লার বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরে কিশোরী বিষয়টি তার মাকে জানায়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানায় একরাম মোল্লার বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ নভেম্বর ভেড়ামারা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জাহাঙ্গীর আলম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
পরে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার একরাম মোল্লাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাস সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।