ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

বোয়ালমারীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১২

রবিউল ইসলাম রুবেলঃ

 

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের ১২ জন আহত হয়েছে। বুধবার (২এপ্রিল) রুপাপাত ইউনিয়নের মোড়া গ্রামে মাঠের ভেতরে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

.

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রুপাপাত ইউনিয়নের মোড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের বাড়ি ও পাট চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় একই গ্রামের সিরাজুল ইসলাম ঠান্ডুর লোকজন। সে ঘটনায় মিজানুর রহমান বাদী হয়ে সিরাজুল ইসলাম ঠান্ডুর লোকজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। সে মামলায় বুধবার (২ এপ্রিল) আসামীদের গ্রেফতার করতে ডহরনগর ফাঁড়ির পুলিশ গেলে আসামীরা পালিয়ে যায়। এরপর সিরাজুল ইসলাম ঠান্ডুর লোকজন ও সেনা কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিকেলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে মোড়া গ্রামের লায়েক মোল্যার ছেলে রফিকুল মোল্যা (২৩) মারাত্মক আহত হয়। সেই সাথে দুই গ্রুপের অনন্ত ১২ জন আহত হয়েছে। আহতদের বোয়ালমারী ফরিদপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

.

মিজানের ভাই জামায়াত নেতা মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এর আগে সিরাজুল ইসলাম ঠান্ডুর লোকজন আমাদের পাট ও বাড়িতে আগুন দিয়ে প্রায় ২০-২৫ লাখ টাকার ক্ষতি করে। ওদের নামে মামলা দেয়া হয়। গতকাল পুলিশ তাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে গেলে পালিয়া যায়। এরপর লোকজন এনে আমাদের উপর হামলা চালিয়ে আমাকে কুপিয়ে আহত করে। তারপরে আমাদের লোকজন এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

.

বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহমুদুল হাসান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে গতকাল ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোন পক্ষ (বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল) থানায় আসেনি। মামলা করলে মামলা নেয়া হবে। বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত আছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আলবার্টার স্বাধীনতা ইস্যুতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের কেন এ অবস্থান?

error: Content is protected !!

বোয়ালমারীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১২

আপডেট টাইম : ০৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫
রবিউল ইসলাম রুবেল, স্টাফ রিপোর্টার :

রবিউল ইসলাম রুবেলঃ

 

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের ১২ জন আহত হয়েছে। বুধবার (২এপ্রিল) রুপাপাত ইউনিয়নের মোড়া গ্রামে মাঠের ভেতরে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

.

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রুপাপাত ইউনিয়নের মোড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের বাড়ি ও পাট চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় একই গ্রামের সিরাজুল ইসলাম ঠান্ডুর লোকজন। সে ঘটনায় মিজানুর রহমান বাদী হয়ে সিরাজুল ইসলাম ঠান্ডুর লোকজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। সে মামলায় বুধবার (২ এপ্রিল) আসামীদের গ্রেফতার করতে ডহরনগর ফাঁড়ির পুলিশ গেলে আসামীরা পালিয়ে যায়। এরপর সিরাজুল ইসলাম ঠান্ডুর লোকজন ও সেনা কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিকেলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে মোড়া গ্রামের লায়েক মোল্যার ছেলে রফিকুল মোল্যা (২৩) মারাত্মক আহত হয়। সেই সাথে দুই গ্রুপের অনন্ত ১২ জন আহত হয়েছে। আহতদের বোয়ালমারী ফরিদপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

.

মিজানের ভাই জামায়াত নেতা মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এর আগে সিরাজুল ইসলাম ঠান্ডুর লোকজন আমাদের পাট ও বাড়িতে আগুন দিয়ে প্রায় ২০-২৫ লাখ টাকার ক্ষতি করে। ওদের নামে মামলা দেয়া হয়। গতকাল পুলিশ তাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে গেলে পালিয়া যায়। এরপর লোকজন এনে আমাদের উপর হামলা চালিয়ে আমাকে কুপিয়ে আহত করে। তারপরে আমাদের লোকজন এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

.

বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহমুদুল হাসান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে গতকাল ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোন পক্ষ (বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল) থানায় আসেনি। মামলা করলে মামলা নেয়া হবে। বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত আছে।