দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৬:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২২
২৩০
বার পঠিত
বিয়ের ১৯ দিন পর যুবকের আত্মহত্যা
মাগুরার মহম্মদপুরে বিয়ের ১৯ দিন পর বুধবার রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক যুবক। পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে আজ বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরার মর্গে পাঠিয়েছেন। ওই যুবকের নাম মো. শহিদুল্লাহ (৩২)। তিনি উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রাজপাট গ্রামের মৃত তবিবার মোল্যার ছেলে। পেশায় শহিদুল্লাহ একজন পাট ব্যবসায়ী ছিলেন। মৃত্যুর আগে তিনি একটি চিঠিতে লিখে গেছেন। ’আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। তার ব্যবসার টাকা দ্রুত যেন ভাই কোনকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং আমাকে যেন দ্রুত দাফন করা হয়।’ শহিদুল্লাহর বড়ভাই মো. মাসুদ রানা জানান, গত ২৩ সেপ্টেম্বর পারিবারের পছন্দে উপজেলার পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের বেথুড়ি গ্রামের খবির হোসের মেয়ের সাথে বিয়ে হয়। গত ৬ অক্টোবর স্ত্রীর সাথে তার শশুর বাড়িতে যায়। তার দুইদিন পর সে একাই বাড়ি ফিরে আসে। বুধবার রাতেও তিনি বন্ধুদের সাথে ক্যরমমবোর্ড খেলেছে। কিন্তু কি কারনে রাতে বাড়ি এসে ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে তা বুঝতে পারছিনা। সকালে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে। আরও পড়ুনঃ সালথায় বিষপানে গৃহবধুর আত্মহত্যা – পরিবারের অভিযোগ হত্যা মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসিত কুমার রায় বলেন, আপাতত মনে হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। এ...
মাগুরার মহম্মদপুরে বিয়ের ১৯ দিন পর বুধবার রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক যুবক।
পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে আজ বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরার মর্গে পাঠিয়েছেন। ওই যুবকের নাম মো. শহিদুল্লাহ (৩২)। তিনি উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রাজপাট গ্রামের মৃত তবিবার মোল্যার ছেলে। পেশায় শহিদুল্লাহ একজন পাট ব্যবসায়ী ছিলেন।
মৃত্যুর আগে তিনি একটি চিঠিতে লিখে গেছেন। ’আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। তার ব্যবসার টাকা দ্রুত যেন ভাই কোনকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং আমাকে যেন দ্রুত দাফন করা হয়।’
শহিদুল্লাহর বড়ভাই মো. মাসুদ রানা জানান, গত ২৩ সেপ্টেম্বর পারিবারের পছন্দে উপজেলার পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের বেথুড়ি গ্রামের খবির হোসের মেয়ের সাথে বিয়ে হয়। গত ৬ অক্টোবর স্ত্রীর সাথে তার শশুর বাড়িতে যায়। তার দুইদিন পর সে একাই বাড়ি ফিরে আসে। বুধবার রাতেও তিনি বন্ধুদের সাথে ক্যরমমবোর্ড খেলেছে। কিন্তু কি কারনে রাতে বাড়ি এসে ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে তা বুঝতে পারছিনা। সকালে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসিত কুমার রায় বলেন, আপাতত মনে হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।