ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার চর হাজীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের বেদখল হওয়া যায়গা বিশ বছর পর উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন।মঙ্গলবার (২৬জুলাই)বেলা ১২টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ঐ স্থানে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানজিলা কবির ত্রপা।
এ সময় ছোট বড় প্রায় ত্রিশটি দোকান ঘর উচ্ছেদ করে স্কুলের যায়গা দখল মুক্ত করা হয়।স্কুলের যায়গা দখল মুক্ত করার বিষয়ে ইউএনও তানজিলা কবির ত্রপা বলেন‘দীর্ঘ বিশ বছর যাবৎ এক শ্রেনীর স্থানীয় অবৈধ ব্যাবসায়ীরা স্কুলের যায়গা ও শহীদ মিনার দখল করে দোকান ঘর তুলে ব্যাবসা করে আসছিল।প্রশাসনের পক্ষ হতে দখলদারদের দোকানঘর সরাতে দফায় দফায় মাইকিং করা হলেও তারা তাতে কর্নপাত করেনি।
স্কুলের আবেদনের প্রেক্ষীতে আজ দীর্ঘ বিশ বছর পর উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে বেদখল হওয়া স্কুলের যায়গা দখল মুক্ত করা হলো।দোকান ঘর উচ্ছেদের বিষয়ে চর হাজীগঞ্জ বাজার বনিক সমবায় সমিতি লিঃএর সভাপতি মো.কবিরুল আলম বলেন‘প্রায় বিশ বছর আগে হাজীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধেক যায়গা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।পরে স্কুল অন্যত্র সরিয়ে নেয় সংশ্লিষ্টরা।ভাঙনে স্কুলের যায়গার পাশাপাশি হাজীগঞ্জ বাজারের যায়গা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায়।
বাজারের ব্যাবসায়ীরা স্কুল কমিটির মৌখিক অনুমতি আবার অনেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে বিদ্যালয়ের কিছু যায়গাসহ রাস্তার সাথে আধাপাকা ও টংঘর নির্মান করে ব্যাবসা বানিজ্য করে আসছিল।হঠাৎ করে এ উচ্ছেদের ফলে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যাবসায়ীরা অর্থনৈতিক ভাবে আরো ক্ষতির স্বীকার হবে বলে জানান এই ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি।উচ্ছের বিষয়ে এক ঘর মালিক উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য আহসানুল হক মামুন বলেন‘আমি স্কুল কমিটির অনুমতি নিয়ে দোকান ঘর নির্মান করেছিলাম, আজ স্কুলের প্রয়োজনে স্কুল তার যায়গা দখলমুক্ত বরেছে কিন্তু আমাকে লিখিত ভাবে জানালে আমি অর্থনৈতিক ভাবে বিশ লক্ষ টাকার ক্ষতির সম্মুক্ষীন হতাম না।
আরও পড়ুনঃ বোয়ালমারীতে ইউপি চেয়ারম্যানের হাতে সাংবাদিক লাঞ্ছিত বিচার দাবীতে আন্দোলনের ডাক
স্কুলের যায়গা উদ্ধারের বিষয়ে ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজাদ আবুল কালাম বলেন ‘হাজীগঞ্জ বাজার নদী ভাঙনের কবলে পরলে সে সময় বর্তমানে উচ্ছেদ কৃতদের মানবিক কারনে অস্থায়ীভাবে স্কুলের কিছু অংশে ব্যাবসা করার মৌখিক অনুমতি দেওয়া হয়।স্কুলের প্রয়োজনে বার বার তাদেরকে দোকান সরানোর কথা বলে কোন লাভ হয়নি।পরে স্কুলের যায়গা দখল মুক্ত করতে প্রশাসেনর হস্থক্ষেম কামনা করে লিখিত আবেদন করা হয়। স্কুলের যায়গা নিয়ে মোকদ্দমা করেও শেখ মোহাম্মদ গং দুইবার পরাজিত হয়েছে বলেও জানান এই প্রধান শিক্ষক।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান বিশেষ প্রতিনিধি, চরভদ্রাশন,ফরিদপুরঃ 























