দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে হাফিজুর রহমান হাফিজ নামের এক প্রাণিসম্পদ সেবা প্রদানকারীকে (এসএসপি) সাময়িক অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। বুধবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রাণিসম্পদ সেবা প্রদানকারী (এলএসপি) হাফিজুর রহমান হাফিজ যোগদান করার পর থেকে উপজেলায় অনুষ্ঠিত হওয়া বিভিন্ন প্রশিক্ষণে প্রকৃত খামারীদের তালিকায় নাম না দিয়ে অবৈধ ভাবে নিজের পরিবারের সদস্যসহ আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতজনদের নাম দিতেন। এতে যেমন সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন খামারীরা তেমন প্রকৃত খামারীদের নিয়েও ভুল তথ্য চলে যেতো প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে। এমনকি যারা পশু পালন করেন না তাদেরও বিভিন্ন সময় প্রণোদনা নিতে সহযোগীতা করে সেখান থেকে মোটা টাকা নিয়েছেন এই প্রাণিসম্পদ সেবা প্রদানকারী (এলএসপি) বলেও তথ্য পাওয়া গেছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবু হায়দার আলী জানান, উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে মাঠ থেকে ক্লোজড করে অফিসে নিয়ে আসা হয়েছে। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আরও পড়ুনঃ ১০৯ বছর পার করল হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ! এদিকে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রাণিসম্পদ দপ্তরে চাকরি করে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির সুযোগ নেই। তদন্ত কমিটির তদন্তে হাফিজ ছাড়াও যদি অন্য কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম উঠে আসে তাদের বিরুদ্ধেও দাপ্তরিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে হাফিজুর রহমান হাফিজ নামের এক প্রাণিসম্পদ সেবা প্রদানকারীকে (এসএসপি) সাময়িক অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। বুধবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রাণিসম্পদ সেবা প্রদানকারী (এলএসপি) হাফিজুর রহমান হাফিজ যোগদান করার পর থেকে উপজেলায় অনুষ্ঠিত হওয়া বিভিন্ন প্রশিক্ষণে প্রকৃত খামারীদের তালিকায় নাম না দিয়ে অবৈধ ভাবে নিজের পরিবারের সদস্যসহ আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতজনদের নাম দিতেন। এতে যেমন সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন খামারীরা তেমন প্রকৃত খামারীদের নিয়েও ভুল তথ্য চলে যেতো প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে।
এমনকি যারা পশু পালন করেন না তাদেরও বিভিন্ন সময় প্রণোদনা নিতে সহযোগীতা করে সেখান থেকে মোটা টাকা নিয়েছেন এই প্রাণিসম্পদ সেবা প্রদানকারী (এলএসপি) বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবু হায়দার আলী জানান, উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে মাঠ থেকে ক্লোজড করে অফিসে নিয়ে আসা হয়েছে। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রাণিসম্পদ দপ্তরে চাকরি করে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির সুযোগ নেই। তদন্ত কমিটির তদন্তে হাফিজ ছাড়াও যদি অন্য কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম উঠে আসে তাদের বিরুদ্ধেও দাপ্তরিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।