ফরিদপুর সদর উপজেলার শিবরামপুর এলাকায় অনুমোদনহীন ভেজাল গুড় কারখানায় অভিযান
জেলা এনএসআই, ফরিদপুর কার্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালক (অভ্যঃ) মহোদয়ের নির্দেশনা অনুসারে অনুমোদনহীন ভেজাল গুড় কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। আজ রবিবার বিকেল পাঁচটায় ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সাজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ কার্যালয়ের সদস্যদের উপস্থিতিতে মোবাইল কোর্টের একটি টিম ফরিদপুর সদর উপজেলার শিবরামপুরস্থ ছোট বটতলা এলাকায় জনৈক স্বপন কুমার শীল পিতা- প্রিয়নাথ শীল শিবরামপুর ফরিদপুরের মালিকানাধীন ভেজাল গুড় ফ্যাক্টরীতে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ঐ কারখানা হতে প্রস্তুতরত এবং মজুদ অবস্থায় অনুমোদনহীন প্রায় ২৪,০০০ কেজি ভেজাল গুড় জব্দ করা হয়। উক্ত কারখানায় ফিটকিরি, কাপড়ের রং, কোরিয়ান এক ধরনের আঠা,ঘন চিনি সহ বিভিন্ন ধরনের ক্যামিকেল ব্যবহার করে আখের গুড় তৈরী করা হতো। যা মানব দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। জানা যায় উক্ত কারখানার মালিক প্রায় ৪/৫ বছর যাবত ভেজাল গুড় উৎপাদন ও বিপণনের সাথে জড়িত। অনুমোদনহীন ভেজাল গুড় উৎপাদন, মজুদ ও বাজারজাত করণের দায়ে কারখানার মালিককে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫৫ ও ৫৬ ধারায় ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা জরিমানাসহ উক্ত কারখানাটি সিলগালা ও মালামাল বাজেয়াপ্ত করা হয়। উল্লেখ্য, আনুমানিক ১২-২৫ মিনিটের সময় ওই ফ্যাক্টরী হতে প্রায় ৯,৬০০ কেজি ভেজাল গুড় নারায়ণগঞ্জ জেলায় প্রেরন করা হয় বলে জানা যায়। আরও পড়ুনঃ কুষ্টিয়ায় শ্যালকের বিয়েতে গিয়ে দুলাভাইয়ের কারাদণ্ড অভিযানে এ দপ্তরের কর্মকর্তারা- কর্মচারীরা সরাসরি উপস্থিত থেকে জেলা প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা...
জেলা এনএসআই, ফরিদপুর কার্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালক (অভ্যঃ) মহোদয়ের নির্দেশনা অনুসারে
অনুমোদনহীন ভেজাল গুড় কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আজ রবিবার বিকেল পাঁচটায় ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সাজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ কার্যালয়ের সদস্যদের উপস্থিতিতে মোবাইল কোর্টের একটি টিম ফরিদপুর সদর উপজেলার শিবরামপুরস্থ ছোট বটতলা এলাকায় জনৈক স্বপন কুমার শীল পিতা- প্রিয়নাথ শীল শিবরামপুর ফরিদপুরের মালিকানাধীন ভেজাল গুড় ফ্যাক্টরীতে অভিযান পরিচালনা করে।
এসময় ঐ কারখানা হতে প্রস্তুতরত এবং মজুদ অবস্থায় অনুমোদনহীন প্রায় ২৪,০০০ কেজি ভেজাল গুড় জব্দ করা হয়।
উক্ত কারখানায় ফিটকিরি, কাপড়ের রং, কোরিয়ান এক ধরনের আঠা,ঘন চিনি সহ বিভিন্ন ধরনের ক্যামিকেল ব্যবহার করে আখের গুড় তৈরী করা হতো। যা মানব দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
জানা যায় উক্ত কারখানার মালিক প্রায় ৪/৫ বছর যাবত ভেজাল গুড় উৎপাদন ও বিপণনের সাথে জড়িত। অনুমোদনহীন ভেজাল গুড় উৎপাদন, মজুদ ও বাজারজাত করণের দায়ে কারখানার মালিককে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫৫ ও ৫৬ ধারায় ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা জরিমানাসহ উক্ত কারখানাটি সিলগালা ও মালামাল বাজেয়াপ্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, আনুমানিক ১২-২৫ মিনিটের সময় ওই ফ্যাক্টরী হতে প্রায় ৯,৬০০ কেজি ভেজাল গুড় নারায়ণগঞ্জ জেলায় প্রেরন করা হয় বলে জানা যায়।