ঢাকা , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

ফরিদপুরে শিক্ষক কর্তৃক যৌন হয়রানীর অভিযোগ ষড়যন্ত্র দাবি করলেন কর্তৃপক্ষ

ফরিদপুর সদর উপজেলার শোভারামপুর উচ্চবিদ্যালয়ের আলোচিত নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থীর সাথে ঐ স্কুলের এক শিক্ষককে জড়িয়ে যে যৌন হয়রানীর অভিযোগ আনা হয়েছে, তা ষড়যন্ত্র ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে অভিযুক্ত শিক্ষক ও স্কুলের ম্যানিজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ ও শিক্ষকবৃন্দ।
তারা জানান, গত মাসের ১৮ তারিখে স্কুলের নবম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী ঐ স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক নাজমুল এর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানীর অভিযোগ তুলে, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তবে এ ঘটনা মৌখিক ভাবে স্কুলের ম্যানিজিং কমিটির সদনস্যবৃন্দদের নিকট অবগত করলেও লিখিত ভাবে অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিলে ঐ শিক্ষার্থীর মা ম্যানিজিং কমিটিকে উপেক্ষা করে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
পরে আমরা স্কুলের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে অভিযুক্ত ঐ শিক্ষককে সাময়িক ভাবে স্কুলে আসতে নিষেধ করি। একপর্যায়ে গত মাসের ৩১ তারিখে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির ১৬২/২২ নং সভার সিদ্ধান্তক্রমে আমরা ৪ সদস্য বিশিষ্ঠ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করি। ঐ তদন্ত কমিটি অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন ধরনের অভিযোগের সত্যতা পাননি মর্মে এ মাসের ৩ তারিখে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ঘটনা জানার জন্য ঐ শিক্ষার্থীর বাড়িতে গেলে তার মা তদন্ত কমিটির কর্মকর্তাবৃন্দদের কোন তথ্য না দিয়ে উল্টো অসৌজন্যমুলক আচরন করেন। এ ছাড়াও ঐ শিক্ষার্থীকে বাড়িতে না পেয়ে তার বক্তব্য নিতে পারেনি তদন্ত কমিটি। তবে অভিযোগকারি ঐ শিক্ষার্থীর সাথে থাকা তার বান্ধবী তদন্ত কমিটি কে জানিয়েছেন ঘনার দিন আমরা দুজন স্কুলের বারান্দায় দাড়িয়ে থাকলে স্কুলের শিক্ষক নাজমুল স্যার আমাদের ক্লাসরুমে বসতে বলে। তার কথামত বেশ কিছুসময় ক্লাসে বসার পর সকল শিক্ষার্থীকে ছুটি দিয়ে দেয় নাজমুল স্যার।
তখন সবাই একত্রে ক্লাস থেকে বেড়িয়ে যাবার পর স্যার তখন আমাদের দুজনকে পুনরায় ডাকে। তখন অভিযোগকারি শিক্ষার্থী তার বান্ধবীকে বলে, “স্যার তো তোকে ডাকে নাই, আমাকে ডেকেছে” এই বলে অভিযোগকারি ঐ শিক্ষার্থী নাজমুল স্যারের কাছে যায় এবং ৩০ থেকে ৩৫ সেকেন্ডের মধ্যে বেড়িয়ে আসে। ততক্ষন আমি ঐ রুমের বারান্দায় দাড়িয়ে স্কুলের অপর এক শিক্ষকের সাথে কথা বলছিলাম এবং ঐ রুমের দরজা জানালা খোলা ছিলো। তবে এই অল্প সময়ের মধ্যে নাজমুল স্যার অভিযোগকারি ঐ শিক্ষার্থীর সাথে কোন অসৌজন্যমুলক আচরন করতে দেখেনাই বলে তিনি তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছেন। এ ছাড়াও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের নিকট তদন্ত কমিটি জানতে পেরেছে অভিযোগকারি ঐ শিক্ষার্থীর পারিবারিক ইতিহাস ভালোনা।
এমনকি অভিযোগকারী ছাত্রীর মা বিদ্যালয়ের বিদ্যানুরাগী সদস্য মো: মামুন প্রামানিক এর কাছে একাধীক বার জানতে চেয়েছে অভিযুক্ত ঐ শিক্ষক নাজমুল স্যার বিবাহিত না অবিবাহিত। তদন্ত কর্মকর্তারা আরো জানান, ঐ ছাত্রীর মা বিদ্যলয় কর্তৃপক্ষকে উপেক্ষা করে  উপজেলার এক আতœীয়র প্ররোচনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাজমুল এর বিরুদ্ধে সদর উপজেলা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। আমরা ঐ শিক্ষক এর বক্তব্য, ঘটনার প্রত্যক্ষদোর্শী, ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে বুঝতে পেরেছি ঐ ছাত্রীর মা তাদেও হীন মনেবৃত্ত চরিতার্ত করার জন্যই বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাজমুল এর বিরুদ্ধে এমন কল্পিত অভিযোগ তুলা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুল দাবি সমস্ত ঘটনাই ষড়যন্ত্র দাবি করে তাকে ফাসানো হচ্ছে বলে জানান। এ বিষয়ে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর জাফর শেখ জানায়, ঘটনাটি নিয়ে ঐ ছাত্রীর মা আমাকে মৌখিক ভাবে অবগত করলে তাকে লিখিত ভাবে জানানোর জন্য বলা হয়।
তবে সে কোন লিখিত না দিয়েই সদর উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করে। একপর্যায়ে আমরা অভিযুক্ত শিক্ষককে স্কুল প্রতিষ্ঠানে আসতে নিষেধ করি। পরে সকলের সিন্ধান্তক্রমে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি থেকেই ৪ সদস্য বিশিষ্ঠ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়্ এবং সাথে ঐ স্কুলের একজন মহিলা শিক্ষিকাকে সাথে রাখতে বলা হয়। পরে তদন্ত কমিটি বিভিন্ন ভাবে তদন্ত করে অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষক নাজমুল এর বিরুদ্ধে কোন ধরনের অসৌজন্যতার কোন তথ্য পাননি বলে বিদ্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। এদিকে সদর উপজেলা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের এর পরপরই সদও উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।
ঐ কমিটি পূর্নাঙ্গ তদন্ত করে পুরো বিষয়টি জানাতে পারবেন বলে জানিয়েছিলেন। এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিনার (ইউএনও) লিটন ঢালিও জানিয়েছিলেন বিষটি নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তের জন্য উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তের কাজ চলছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত পাঁচ লাখ মানুষ

error: Content is protected !!

ফরিদপুরে শিক্ষক কর্তৃক যৌন হয়রানীর অভিযোগ ষড়যন্ত্র দাবি করলেন কর্তৃপক্ষ

আপডেট টাইম : ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ নভেম্বর ২০২২
মানিক কুমার দাস, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ :
ফরিদপুর সদর উপজেলার শোভারামপুর উচ্চবিদ্যালয়ের আলোচিত নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থীর সাথে ঐ স্কুলের এক শিক্ষককে জড়িয়ে যে যৌন হয়রানীর অভিযোগ আনা হয়েছে, তা ষড়যন্ত্র ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে অভিযুক্ত শিক্ষক ও স্কুলের ম্যানিজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ ও শিক্ষকবৃন্দ।
তারা জানান, গত মাসের ১৮ তারিখে স্কুলের নবম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী ঐ স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক নাজমুল এর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানীর অভিযোগ তুলে, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তবে এ ঘটনা মৌখিক ভাবে স্কুলের ম্যানিজিং কমিটির সদনস্যবৃন্দদের নিকট অবগত করলেও লিখিত ভাবে অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিলে ঐ শিক্ষার্থীর মা ম্যানিজিং কমিটিকে উপেক্ষা করে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
পরে আমরা স্কুলের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে অভিযুক্ত ঐ শিক্ষককে সাময়িক ভাবে স্কুলে আসতে নিষেধ করি। একপর্যায়ে গত মাসের ৩১ তারিখে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির ১৬২/২২ নং সভার সিদ্ধান্তক্রমে আমরা ৪ সদস্য বিশিষ্ঠ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করি। ঐ তদন্ত কমিটি অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন ধরনের অভিযোগের সত্যতা পাননি মর্মে এ মাসের ৩ তারিখে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ঘটনা জানার জন্য ঐ শিক্ষার্থীর বাড়িতে গেলে তার মা তদন্ত কমিটির কর্মকর্তাবৃন্দদের কোন তথ্য না দিয়ে উল্টো অসৌজন্যমুলক আচরন করেন। এ ছাড়াও ঐ শিক্ষার্থীকে বাড়িতে না পেয়ে তার বক্তব্য নিতে পারেনি তদন্ত কমিটি। তবে অভিযোগকারি ঐ শিক্ষার্থীর সাথে থাকা তার বান্ধবী তদন্ত কমিটি কে জানিয়েছেন ঘনার দিন আমরা দুজন স্কুলের বারান্দায় দাড়িয়ে থাকলে স্কুলের শিক্ষক নাজমুল স্যার আমাদের ক্লাসরুমে বসতে বলে। তার কথামত বেশ কিছুসময় ক্লাসে বসার পর সকল শিক্ষার্থীকে ছুটি দিয়ে দেয় নাজমুল স্যার।
তখন সবাই একত্রে ক্লাস থেকে বেড়িয়ে যাবার পর স্যার তখন আমাদের দুজনকে পুনরায় ডাকে। তখন অভিযোগকারি শিক্ষার্থী তার বান্ধবীকে বলে, “স্যার তো তোকে ডাকে নাই, আমাকে ডেকেছে” এই বলে অভিযোগকারি ঐ শিক্ষার্থী নাজমুল স্যারের কাছে যায় এবং ৩০ থেকে ৩৫ সেকেন্ডের মধ্যে বেড়িয়ে আসে। ততক্ষন আমি ঐ রুমের বারান্দায় দাড়িয়ে স্কুলের অপর এক শিক্ষকের সাথে কথা বলছিলাম এবং ঐ রুমের দরজা জানালা খোলা ছিলো। তবে এই অল্প সময়ের মধ্যে নাজমুল স্যার অভিযোগকারি ঐ শিক্ষার্থীর সাথে কোন অসৌজন্যমুলক আচরন করতে দেখেনাই বলে তিনি তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছেন। এ ছাড়াও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের নিকট তদন্ত কমিটি জানতে পেরেছে অভিযোগকারি ঐ শিক্ষার্থীর পারিবারিক ইতিহাস ভালোনা।
এমনকি অভিযোগকারী ছাত্রীর মা বিদ্যালয়ের বিদ্যানুরাগী সদস্য মো: মামুন প্রামানিক এর কাছে একাধীক বার জানতে চেয়েছে অভিযুক্ত ঐ শিক্ষক নাজমুল স্যার বিবাহিত না অবিবাহিত। তদন্ত কর্মকর্তারা আরো জানান, ঐ ছাত্রীর মা বিদ্যলয় কর্তৃপক্ষকে উপেক্ষা করে  উপজেলার এক আতœীয়র প্ররোচনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাজমুল এর বিরুদ্ধে সদর উপজেলা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। আমরা ঐ শিক্ষক এর বক্তব্য, ঘটনার প্রত্যক্ষদোর্শী, ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে বুঝতে পেরেছি ঐ ছাত্রীর মা তাদেও হীন মনেবৃত্ত চরিতার্ত করার জন্যই বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাজমুল এর বিরুদ্ধে এমন কল্পিত অভিযোগ তুলা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুল দাবি সমস্ত ঘটনাই ষড়যন্ত্র দাবি করে তাকে ফাসানো হচ্ছে বলে জানান। এ বিষয়ে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর জাফর শেখ জানায়, ঘটনাটি নিয়ে ঐ ছাত্রীর মা আমাকে মৌখিক ভাবে অবগত করলে তাকে লিখিত ভাবে জানানোর জন্য বলা হয়।
তবে সে কোন লিখিত না দিয়েই সদর উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করে। একপর্যায়ে আমরা অভিযুক্ত শিক্ষককে স্কুল প্রতিষ্ঠানে আসতে নিষেধ করি। পরে সকলের সিন্ধান্তক্রমে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি থেকেই ৪ সদস্য বিশিষ্ঠ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়্ এবং সাথে ঐ স্কুলের একজন মহিলা শিক্ষিকাকে সাথে রাখতে বলা হয়। পরে তদন্ত কমিটি বিভিন্ন ভাবে তদন্ত করে অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষক নাজমুল এর বিরুদ্ধে কোন ধরনের অসৌজন্যতার কোন তথ্য পাননি বলে বিদ্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। এদিকে সদর উপজেলা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের এর পরপরই সদও উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।
ঐ কমিটি পূর্নাঙ্গ তদন্ত করে পুরো বিষয়টি জানাতে পারবেন বলে জানিয়েছিলেন। এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিনার (ইউএনও) লিটন ঢালিও জানিয়েছিলেন বিষটি নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তের জন্য উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তের কাজ চলছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।