আপডেট টাইম :
১১:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪
১৭৮
বার পঠিত
ফরিদপুরে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় ভুয়া পরীক্ষার্থী আটক
ফরিদপুরে পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় ভুয়া পরীক্ষার্থী এসএম শামীম (২৮)কে আটক করা হয়েছে। গতকাল, মঙ্গলবার সকালে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় এই ভুয়া পরীক্ষার্থীকে পুলিশ আটক করে। আটক শামীম ফরিদপুর সদরের মুরারীদহ এলাকার মৃত এসএম বিল্লাল শেখের ছেলে। ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, "লিখিত পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে ফরিদপুর জেলা পুলিশের একটি টিম পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ও নাম ঠিকানা যাচাই করে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করাচ্ছিল। এসময় শামীম পরীক্ষার প্রবেশপত্রটি ডিউটিরত পুলিশ টিমকে দেখালে, তারা প্রবেশপত্রে উল্লিখিত মূল পরীক্ষার্থীর ছবি এবং শামীমের চেহারার মধ্যে অমিল দেখতে পান। সন্দেহ হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।" জিজ্ঞাসাবাদের সময় শামীম স্বীকার করেন যে, তিনি মূল পরীক্ষার্থী বিকুল তালুকদারের হয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন। তিনি আরও বলেন, বিকুল তালুকদার তাকে ১০ হাজার টাকায় চুক্তি করে পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেওয়ার জন্য পাঠিয়েছিলেন। পুলিশ জানায়, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় শামীমের কাছ থেকে একটি ছোট ব্লুটুথ ডিভাইস এবং একটি ডেবিট কার্ড সদৃশ ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া যায়, যার গায়ে "Master Card" লেখা ছিল এবং নাম-নম্বরসহ কাগজের লেভেল লাগানো ছিল। এ ছাড়াও, মূল পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র উদ্ধার করা হয়। আরও পড়ুনঃ উপদেষ্টা ফারুকীর অপসারণ চেয়ে একাই সড়কে নামলেন মহিলা দলের নেত্রী এ ঘটনায় ফরিদপুর...
ফরিদপুরে পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় ভুয়া পরীক্ষার্থী এসএম শামীম (২৮)কে আটক করা হয়েছে। গতকাল, মঙ্গলবার সকালে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় এই ভুয়া পরীক্ষার্থীকে পুলিশ আটক করে।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, “লিখিত পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে ফরিদপুর জেলা পুলিশের একটি টিম পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ও নাম ঠিকানা যাচাই করে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করাচ্ছিল। এসময় শামীম পরীক্ষার প্রবেশপত্রটি ডিউটিরত পুলিশ টিমকে দেখালে, তারা প্রবেশপত্রে উল্লিখিত মূল পরীক্ষার্থীর ছবি এবং শামীমের চেহারার মধ্যে অমিল দেখতে পান। সন্দেহ হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।”
জিজ্ঞাসাবাদের সময় শামীম স্বীকার করেন যে, তিনি মূল পরীক্ষার্থী বিকুল তালুকদারের হয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন। তিনি আরও বলেন, বিকুল তালুকদার তাকে ১০ হাজার টাকায় চুক্তি করে পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেওয়ার জন্য পাঠিয়েছিলেন।
পুলিশ জানায়, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় শামীমের কাছ থেকে একটি ছোট ব্লুটুথ ডিভাইস এবং একটি ডেবিট কার্ড সদৃশ ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া যায়, যার গায়ে “Master Card” লেখা ছিল এবং নাম-নম্বরসহ কাগজের লেভেল লাগানো ছিল। এ ছাড়াও, মূল পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র উদ্ধার করা হয়।