দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০২৪
২৬২
বার পঠিত
প্রধান শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
ঠাকুরগাঁওয়ে একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলুল কাদের সরকারকে মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করেছে। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) মোলানী উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, আফাজ উদ্দিন ও তার দল প্রধান শিক্ষক ফজলুল কাদেরকে বিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বললে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা তাকে মারধর করে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে রাজপথে বিক্ষোভ শুরু করে এবং হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিতে থাকে। হামলার শিকার প্রধান শিক্ষক ফজলুল কাদের বলেন, “আমি স্কুলে প্রবেশ করলে আফাজ ও তার দল হঠাৎ করে আমার পথ আটকে দেয় এবং আমাকে মারধর শুরু করে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।” আরও পড়ুনঃ ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারি কোয়ার্টার দখলের অভিযোগ দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন এই ঘটনায় মন্তব্য করে বলেন, “শিক্ষকের গায়ে হাত দেওয়া সত্যিই নিন্দনীয়। শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঠাকুরগাঁওয়ে একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলুল কাদের সরকারকে মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করেছে। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) মোলানী উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, আফাজ উদ্দিন ও তার দল প্রধান শিক্ষক ফজলুল কাদেরকে বিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বললে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা তাকে মারধর করে।
এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে রাজপথে বিক্ষোভ শুরু করে এবং হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিতে থাকে। হামলার শিকার প্রধান শিক্ষক ফজলুল কাদের বলেন, “আমি স্কুলে প্রবেশ করলে আফাজ ও তার দল হঠাৎ করে আমার পথ আটকে দেয় এবং আমাকে মারধর শুরু করে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন এই ঘটনায় মন্তব্য করে বলেন, “শিক্ষকের গায়ে হাত দেওয়া সত্যিই নিন্দনীয়। শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”